
বিএনপির এই সাবেক নেতা বলেন, এসব বিষয়ে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কাছে লিখিত অভিযোগ করলে কমিটি নুরুল হককে শোকজ করে। পরে তাঁকেও (হাসান মামুন) শোকজ করা হয়, যা প্রতিপক্ষকে খুশি করার জন্য করা হয়েছে।
মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ফেসবুক পোস্টের বিষয়ে হাসান মামুন বলেন, প্রশাসন যদি মবের চাপে পড়ে তাঁর নেতা-কর্মী বা সাধারণ ভোটারদের অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করে, তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন বা সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে—পোস্টে সেটিই বোঝানো হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে নুরুল হকের নির্বাচনী সমন্বয়ক আবু নাঈম বলেন, ‘আমাদের প্রার্থী উদ্বেগের জায়গা থেকে সংবাদ সম্মেলন করে যৌক্তিক দাবি তুলেছেন; কিন্তু হাসান মামুন সংবাদ সম্মেলনে যা বলেছেন, তা তাঁর ব্যক্তিগত ও মনগড়া বক্তব্য। বাস্তবতার সঙ্গে এর কোনো মিল নেই।’
প্রসঙ্গত, গতকাল বিকেলে পটুয়াখালী-৩ আসনে (গলাচিপা-দশমিনা) বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক (নুর) বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হাসান মামুন ও তাঁর সমর্থকেরা ধারাবাহিক হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভয়ভীতির দেখানোর অভিযোগ তুলে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে সংবাদ সম্মেলন করেন। এ সময় নির্বাচনী এলাকায় সংঘাত ও সহিংসতার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের হুঁশিয়ারি দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর কথাও বলেন।