ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝালকাঠি—১ (রাজাপুর—কাঁঠালিয়া) আসনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ সংক্রান্ত মামলায় গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালত সংশ্লিষ্ট আসনের সব নির্বাচনী নথি সংরক্ষণের আদেশ দিয়েছেন।
বুধবার (২২ এপ্রিল) শুনানি শেষে হাইকোর্ট বৃহস্পতিবারের মধ্যে এ আসনের ব্যালট পেপার, ফলাফল শিটসহ নির্বাচনের সব গুরুত্বপূর্ণ নথি হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়। দলটির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন ড. ফয়জুল হক। অন্যদিকে, এ আসন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জামাল সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।
আদালতে আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মোহাম্মদ মনির।
আদালতের নির্দেশের পর ড. ফয়জুল হক বলেন, নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির বিষয়ে আমরা ন্যায়বিচারের জন্য আদালতের শরণাপন্ন হয়েছি। হাইকোর্টের এই নির্দেশ সুষ্ঠু তদন্তের পথ আরও সুগম করবে বলে আমরা আশাবাদী।
অন্যদিকে, সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “জনগণের ভোটেই আমি নির্বাচিত হয়েছি। আদালতের সিদ্ধান্তকে আমরা সম্মান করি এবং আশা করি বিষয়টি আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নিষ্পত্তি হবে।