বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা কাজিরহাট থানা ২ নং লতা ইউনিয়নের উদয়পুর এম এ হাইস্কুল ও খান মার্কেট সংলগ্ন খালের উপর প্রায় ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মানাধীন দৃষ্টিনন্দন আর্স ব্রিজের কাজ চলমান থাকা সত্ত্বেও প্রায় ঘটছে ব্রিজ নির্মাণের মালামাল চুরির ঘটনা। ব্রীজের মালামাল চুরি সম্পর্কে জানতে চাইলে ঠিকাদার মোঃ নুর সাইদ কাজী জানায় খালের পাশে পায়েলিং করার জন্য রড দিয়ে ৬ টি খাচা বানানো হয়েছে সোমবার রাতে যেকোনো সময় ব্রিজের উপর থেকে চারটি খাচা চুরি হয়ে যায় ফলে আমাদের অর্থের ক্ষতি হচ্ছে অপরদিকে ব্রিজের নির্মাণাধীন কাজের সময়সীমা বৃদ্ধি হচ্ছে। এই ব্রিজের মালামাল একাধিকবার চুরি হচ্ছে ফলে আমি আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও ঠিকাদার সহ স্থানীয় লোকজনকে অবগত করিয়াছি। এ বিষয়ে হুমায়ুন কবির খান বলেন এই ব্রিজের মালামাল প্রায় চুরি হচ্ছে বলে একাধিকবার আমাকে জানিয়েছে ব্রিজ নির্মানাধীন ঠিকাদার। আমি ঠিকাদারকে অবগত করবো যে আপনারা আইনগত ভাবে তদন্ত ও প্রমাণ সাপেক্ষ সহকারে চোরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলে আমি মনে করি। চোরেরা নেশা টাকা সংগ্রহ করার জন্য এই মালামাল সকলের অগোচরে চুরি করে বিক্রি করছে অপরদিকে এই টাকা দিয়ে ইয়াবা নামক মরণ নেশায় জড়িয়ে পড়ছে। ব্রিজের মালামাল রক্ষণাবেক্ষণ করার জন্য পাহাড়াদার থাকা সত্ত্বেও একাধিকবার চুরির ঘটনা ঘটলো সচেতন মহলের মধ্যে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
এ বিষয়ে কথা হয় পাহাদার না আয়নালের সাথে তিনি জানায় আমি রাতে বাড়িতে থাকিনা ব্রিজের মালামাল রক্ষণাবেক্ষণের জন্য রাতে মালামাল যাহাতে কেউ চুরি না করতে পারে এজন্য ব্রিজের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে স্কুল মাঠে খালের দুই প্রান্তে সব সময় নজর রাখি।
এরপরও রাতে চুরির ঘটনা করছে সত্য। আমি একা মানুষ অনেক কিছুই সংকট ঠিকাদার ব্রিজের মালামাল নির্মাণের জন্য কয়েকটি স্থানে মালামাল রাখলেও নেই কোন লাইটিং এর ব্যবস্থা এবং নেই সিসি ফুটেজের আওতায় এবং পাহারাদার প্রয়োজন ৩/৪ জন বলে আমি মনে করি। তাহলে একা আমি এ সমস্ত মালামাল রক্ষণাবেক্ষণ ও সামাল দিতে হিমসিম খাচ্ছি আর অপরদিকে এই সুযোগ চোরেরা চুরি করছে রাতের আঁধারে।