, , ,
শিরোনাম
আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে ইতিহাস গড়ায় বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী মৌলভীবাজার এর মেয়ে আনিসা খানকে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র অভিনন্দন দেশটা আমাদের সবার, সবাই মিলে একসঙ্গে বসবাস করব: প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান এমপি ভোলায় দুই সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ দুই মাসের মধ্যে কিশোর গ্যাং নির্মূল করতে না পারলে আপনি থাকবেন না-ওসিকে চিফ হুইপ মাদক-জুয়া বন্ধের ঘোষণা দেওয়া বিএনপি নেতাকে পিটিয়ে হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার অভিজিৎ দিপকে ও নেহা বোরাকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে অনিয়মের অভিযোগ, দুদকের অভিযান কুমিল্লায় যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা মুলাদীতে সাপের কামড়ে প্রাণ গেল তরুণীর পটুয়াখালীতে টিফিনের রুটিতে ব্লেড পাওয়ার অভিযোগ
মিষ্টির পদত্যাগে শূন্য নারী আসনটি যাবে কার ঝুলিতে?

মিষ্টির পদত্যাগে শূন্য নারী আসনটি যাবে কার ঝুলিতে?

Reporter
প্রতিবেদক : বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর, ২০২৬

জাতীয় সংসদের কোনো সাধারণ আসন শূন্য হলে সেখানে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোটারদের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন নতুন সংসদ সদস্য। তবে সংরক্ষিত নারী আসনের ক্ষেত্রে নিয়মটা ভিন্ন। এ ধরনের আসন শূন্য হলে সাধারণ আসনের মতো সরাসরি ভোট হয় না। যে দল বা জোটের অনুকূলে আসনটি বরাদ্দ ছিল, সেই দল বা জোটের মনোনীত প্রার্থীর মাধ্যমেই তা পূরণ করা হয়।

সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ—এফপি সেন্টারে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগের পর বিষয়টি নতুন করে সামনে এসেছে।

সংরক্ষিত নারী আসন শূন্য হলে কত দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে—জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ ঢাকা মেইলকে বলেন, ‘আইন অনুযায়ী আসন শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। আর নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হবে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের আইন অনুযায়ী।’

সেখানে অন্য কোনো দল বা জোট প্রার্থী দিতে পারবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যে দল বা জোটের জন্য আসনটি বরাদ্দ, সেই দল বা জোটই শূন্য আসনটি পাবে। অর্থাৎ, আসনটি যার কোটায়, শূন্য হওয়ার পরও সেই দল বা জোটই আসনটি পাবে।’

যেভাবে বণ্টন হয় সংরক্ষিত নারী আসন

জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন ২০০৪ অনুযায়ী, সংসদে অন্তর্ভুক্ত সদস্যদের মোট আসন সংখ্যার আনুপাতিক হার অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দল ও জোটের অনুকূলে সংরক্ষিত মহিলা আসন বণ্টন করা হয়। এরপর ইসি সচিবালয় রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ এবং ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করে। পরবর্তীতে ইসির বৈঠকে অনুমোদনের পর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। দল ও জোটগুলো তাদের বরাদ্দকৃত আসনের সমান সংখ্যক প্রার্থী মনোনয়ন দেয়। ফলে অনেক সময় প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

সংরক্ষিত নারী আসনের হিসাব যেভাবে

সংরক্ষিত নারী আসন নির্বাচন আইন অনুযায়ী, সংসদে প্রাপ্ত সাধারণ আসনের ভিত্তিতে প্রতিটি দলের নারী আসনে সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়। সাধারণত প্রাপ্ত আসন সংখ্যাদ্ধ৫০স্ট৩০০—এই সূত্রে নারী আসনের হিসাব করা হয়।

ত্রয়োদশ সংসদের ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য আছেন ৫০ জন। যার মধ্যে বিএনপি জোটের ৩৬ জন, জামায়াত জোটের ১৩ জন ও স্বতন্ত্র একজন।

সংরক্ষিত নারী আসন শূন্য হলে যেভাবে নির্বাচন হয়

সংরক্ষিত নারী আসন নির্বাচন আইনের ১৬ ধারার অনুযায়ী সংরক্ষিত নারী আসনের কোনো আসন শূন্য হলে ওই আসন যে রাজনৈতিক দল বা জোটের অনুকূলে বণ্টিত, সেই দল বা জোটের মনোনীত প্রার্থীদের মধ্য থেকেই আসনটি পূরণ করা হবে। একাধিক আসন শূন্য হলে প্রার্থীদের পাওয়া বৈধ ভোটের মোট ভোটমানের ভিত্তিতে নির্বাচনের কোটা নির্ধারণ করা হবে।

আইন অনুযায়ী, একাধিক শূন্য আসনের ক্ষেত্রে প্রতিটি বৈধ ব্যালটের ভোটমান ১০০ হিসেবে গণনা করা হবে। সংশ্লিষ্ট দল বা জোটের অনুকূলে বরাদ্দ থাকা আসনগুলোতে মনোনীত প্রার্থীদের পাওয়া ভোটের মোট ভোটমানকে ওই দল বা জোটের যতগুলো শূন্য আসন পূরণ করতে হবে, তার সঙ্গে ১ যোগ করে ভাগ করা হবে। এরপর পাওয়া ভাগফলের সঙ্গে ১ যোগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যাবে, সেটিই নির্বাচিত হওয়ার প্রয়োজনীয় ভোটের কোটা।

তবে কোনো দল বা জোটের অনুকূলে বণ্টিত একটি মাত্র আসন শূন্য হলে প্রতিটি বৈধ ব্যালটের ভোটমান ১ হিসেবে গণনা করা হবে। ওই দল বা জোটের অনুকূলে বরাদ্দকৃত আসনে মনোনীত প্রার্থীদের পাওয়া মোট বৈধ ভোটকে ২ দিয়ে ভাগ করে তার সঙ্গে ১ যোগ করলে যে সংখ্যা পাওয়া যাবে, সেটিই নির্বাচিত হওয়ার কোটা।

নিয়ম অনুযায়ী, কোনো সংসদ সদস্য পদত্যাগ করতে চাইলে স্পিকারের কাছে নিজের স্বাক্ষরযুক্ত লিখিত পদত্যাগপত্র দেবেন। স্পিকার পদত্যাগপত্রটি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ওই আসন শূন্য হবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost