, , ,
শিরোনাম
ভান্ডারিয়ায় ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে ভার্চুয়ালে উদ্বোধন করেন — গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ভাণ্ডারিয়ায় সমতার তারন্য বিষয়ে যুবদের সংলাপ অনুষ্ঠিত বরিশালে জাতীয় পার্টির নেতা হাবুলকে আটকের পর, মুচলেকা নিয়ে মুক্তি বামনায় শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ এর সমাপনীর শুভ উদ্বোধন ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় নিষিদ্ধ জাল জব্দ ও বিনষ্ট: উদ্ধারকৃত ইলিশ এতিমখানায় দান উজিরপুরে দুর্গাপূজায় সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে পূজামণ্ডপে পলাশ কুণ্ডু ভাণ্ডারিয়ায় প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত জিয়ানগরে পল্লী চিকিৎসক নেতাসহ দুজনকে কুপিয়ে জখম পিরোজপুরে ইউপি সদস্যের নামে জেলে কার্ড, পাচ্ছেন বরাদ্দের চাল বরিশালে জাতীয় পার্টির মহানগর আহ্বায়ক হাবুল আটক
৫ বছরের মেয়েকে তালাবদ্ধ রেখে স্কুলে যেতে হয় মাকে

৫ বছরের মেয়েকে তালাবদ্ধ রেখে স্কুলে যেতে হয় মাকে

Reporter
প্রতিবেদক : অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত : রবিবার, ০৯ আগস্ট, ২০২৬

পটুয়াখালীর বাউফলের দাসপাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক উম্মে হাফছা সুমা তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন। ইতোমধ্যে তার এই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং মানুষের হৃদয়ে নাড়া দিয়েছে।

ফেসবুক পোস্টে শিক্ষক উম্মে হাফছা সুমা লিখেছেন, ‘আমার একটি মাত্র মেয়ে। তার বয়স পাঁচ বছর সাত মাস। প্রতিদিন এই ছোট্ট মেয়েটিকে বাসায় একা তালাবদ্ধ রেখে স্কুলে যেতে হয়। বাসায় দেখাশোনার মতো আর কেউ নেই। যত নিয়ম, যেন শুধু চাকরিজীবী মায়েদের সন্তানদের জন্যই। সন্তানরা কতটা অসহায়…’

স্থানীয়রা জানান, তিনি স্কুল থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার দূরে নাজিরপুর বাংলাবাজার এলাকায় থাকেন। শিশুটির বাবা কর্মজীবী। তিনি ঢাকায় চাকরি করেন। একদিকে পেশাগত দায়িত্ব পালন এবং অন্যদিকে সন্তান লালন—পালনের এই দ্বৈত চাপে মায়েরা প্রতিনিয়ত যে মানসিক যন্ত্রণার শিকার হন, তা এই ঘটনার মধ্য দিয়ে আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে পাঁচ বছরের বেশি বয়সের একটি শিশুকে একা বাসায় তালাবদ্ধ রেখে কর্মস্থলে যাওয়ার বিষয়টি শুধু ওই মায়ের জন্যই নয় বরং শিশুটির নিরাপত্তার জন্যও চরম ঝুঁকিপূর্ণ।
তারা আরও জানান, কর্মজীবী মায়েদের সন্তানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে ডে—কেয়ার সেন্টার স্থাপন বা কর্মঘণ্টায় কিছুটা নমনীয়তা আনার বিষয়টি গভীরভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক উম্মে হাফছার কালবেলাকে বলেন, ‘বাসায় আমি আমার ৫ বছর বয়সী মেয়েকে নিয়ে থাকি। মাঝে মধ্যে তাকে আমার সঙ্গে করে স্কুলে নিয়ে যেতাম। কিন্তু নানা সমস্যার কারণে পরে আর তাকে আমার সঙ্গে নিই না। তারপর থেকে তাকে পরিচিতজনদের বাসায় রেখে যেতাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে দেশে শিশু নির্যাতনের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় কয়েকদিন ধরে তাকে ঘরে তালাবদ্ধ করে রেখে যায়। ওই রুমে একটি সিসি ক্যামেরা লাগানো ছিল, যার সংযোগ আমার মোবাইলেও আছে। অফ টাইমে স্কুলে বসে মেয়েকে দেখতাম এবং তার সঙ্গে কথা বলতাম। এই কষ্ট থেকে আমি সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট দিই। যেন কর্তৃপক্ষের নজরে এলে অন্তত একটা ব্যবস্থা নেন। কিন্তু নানাজনের নানা কথাবার্তার কারণে পোস্টটি ডিলেট করে দিই।’

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সালেহ আহমেদ বলেন, ‘ঘটনাটি দুঃখজনক। আমার জানামতে সরকারি ভাবে উপজেলা বা জেলায় কোনো ডে—কেয়ার নেই। তবে কর্মজীবী মায়েদের যাদের ছোট বাচ্চা আছে তাদের জন্য ডে—কেয়ার থাকা দরকার।’

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost