, , ,
শিরোনাম
ভান্ডারিয়ায় ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে ভার্চুয়ালে উদ্বোধন করেন — গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ভাণ্ডারিয়ায় সমতার তারন্য বিষয়ে যুবদের সংলাপ অনুষ্ঠিত বরিশালে জাতীয় পার্টির নেতা হাবুলকে আটকের পর, মুচলেকা নিয়ে মুক্তি বামনায় শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ এর সমাপনীর শুভ উদ্বোধন ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় নিষিদ্ধ জাল জব্দ ও বিনষ্ট: উদ্ধারকৃত ইলিশ এতিমখানায় দান উজিরপুরে দুর্গাপূজায় সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে পূজামণ্ডপে পলাশ কুণ্ডু ভাণ্ডারিয়ায় প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত জিয়ানগরে পল্লী চিকিৎসক নেতাসহ দুজনকে কুপিয়ে জখম পিরোজপুরে ইউপি সদস্যের নামে জেলে কার্ড, পাচ্ছেন বরাদ্দের চাল বরিশালে জাতীয় পার্টির মহানগর আহ্বায়ক হাবুল আটক
কীর্তনখোলার দুই তীর সিটি কর্পোরেশনের আওতায় এনে আধুনিক বাণিজ্যিক-পর্যটন নগরী গড়ার প্রস্তাব

কীর্তনখোলার দুই তীর সিটি কর্পোরেশনের আওতায় এনে আধুনিক বাণিজ্যিক-পর্যটন নগরী গড়ার প্রস্তাব

Reporter
প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬

‘প্রাচ্যের ভেনিস’খ্যাত বরিশালকে কীর্তনখোলা নদীকে কেন্দ্র করে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও বাণিজ্যিক—পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সমন্বিত মহাপরিকল্পনা গ্রহণের প্রস্তাব দিয়েছেন বরিশাল মহানগরের সদস্য সচিব এম. আনোয়ার হোসেন সিকদার।

বরিশাল মেট্রোপলিটন এলাকার কৌশলগত পরিকল্পনা উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ প্রস্তাব তুলে ধরেন।

এম. আনোয়ার হোসেন সিকদার বলেন, কীর্তনখোলা নদীর দুই তীরকে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের আওতায় এনে বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বউক) ও সিটি কর্পোরেশনের সমন্বয়ে একটি বাস্তবমুখী, টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন। এই পরিকল্পনার মূল কেন্দ্রবিন্দু হবে কীর্তনখোলা নদী।

তিনি বলেন, নদীর দুই তীরে পরিকল্পিত অবকাঠামো, আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থা, পর্যটনকেন্দ্র, বিনোদন সুবিধা ও নদীকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গড়ে তুলতে হবে। এর মাধ্যমে কীর্তনখোলাকে শুধু একটি নদী হিসেবে নয়, বরং বরিশালের অর্থনীতি, পর্যটন ও নগর উন্নয়নের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজে লাগানো সম্ভব।

নগরীর পরিবেশ, ভারসাম্য ও বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করতে বৃহৎ শিল্প—কারখানা ও শিল্পাঞ্চল বরিশাল মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে পরিকল্পিত শিল্প জোনে স্থাপনের প্রস্তাবও দেন তিনি।

তার মতে, এসব শিল্পাঞ্চলের সঙ্গে নগরীর উন্নত ও কার্যকর যোগাযোগব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নগরকেন্দ্রে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক, করপোরেট ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ রাখা যেতে পারে।

নদীর দুই তীরে গড়ে উঠবে আধুনিক বাণিজ্যিক কেন্দ্র এম. আনোয়ার হোসেন সিকদার বলেন, নগরীর দাপ্তরিক, প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের জন্য নদীর দুই তীরকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে বহুতল ভবন, আধুনিক অফিস কমপ্লেক্স ও বাণিজ্যিক স্থাপনা গড়ে তুলতে হবে।

এতে একদিকে বরিশালের নগর সৌন্দর্য ও নান্দনিকতা বাড়বে, অন্যদিকে কীর্তনখোলা নদীকে ঘিরে গড়ে উঠবে একটি আধুনিক ও আকর্ষণীয় বাণিজ্যিক নগরকেন্দ্র।

তিনি আরও বলেন, পরিকল্পিতভাবে আবাসিক, বাণিজ্যিক, প্রশাসনিক, পর্যটন ও শিল্পাঞ্চল নির্ধারণ করা গেলে বরিশালের জন্য একটি বাস্তবমুখী, টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি নগর উন্নয়ন কাঠামো তৈরি করা সম্ভব হবে।

কীর্তনখোলা নদীকে কেন্দ্র করে বরিশালের দুই তীরের সমন্বিত উন্নয়ন, আধুনিক বাণিজ্যিক অবকাঠামো, পর্যটন সম্ভাবনা, যোগাযোগব্যবস্থা, পরিকল্পিত আবাসিক এলাকা ও শিল্পাঞ্চল নিয়ে এম. আনোয়ার হোসেন সিকদারের পূর্ণাঙ্গ আধুনিক ও বাণিজ্যিক নগরী গড়ার প্রস্তাব শিগগিরই আসছে।

তার প্রত্যাশা, পরিকল্পিতভাবে কীর্তনখোলার দুই তীরের উন্নয়ন করা গেলে বরিশালকে দেশের অন্যতম আধুনিক, নান্দনিক, বাণিজ্যিক ও পর্যটন নগরীতে রূপান্তর করা সম্ভব হবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost