রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
গলা কাটা ও মাথাবিহীন মরদেহের পরিচয় শনাক্ত,আটক ১ স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে ৬০ বছরের বৃদ্ধার অবস্থান প্রেম করে উধাও প্রবাসীর স্ত্রী, থানায় অভিযোগ উন্নত চিকিৎসার জন্য রবিবার সিঙ্গাপুরে নেওয়া হবে মির্জা আব্বাসকে দরজার শিকল আটকিয়ে ঘরে আগুন, দগ্ধ স্বামী-স্ত্রী পিরোজপুরে পাওয়া মাথাবিহীন মরদেহের পরিচয় মিলেছে উজিরপুর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মনির হোসেন গ্রেফতার বরিশালে সংগঠিত হচ্ছে সাবেক ছাত্রলীগ নেতারা ১০০ ডলারের ওপরে অপরিশোধিত তেল, বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন শঙ্কা ৬ মাসের কাজ সাড়ে ৩ বছরেও শেষ নয়, দাঁড়িয়ে শুধু দুই পিলার বরিশাল সিটির নতুন প্রশাসক বিলকিস জাহান বিষখালী রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ, ঈদের আগে চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা এবার হাদির খুনিদের পালাতে সহায়তাকারী ভারতে গ্রেফতার পাম্পেও মিলছে না তেল মঠবাড়িয়ায় জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট বাকেরগঞ্জে প্রবাসী মাহমুদ সিকদারের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল রাজাপুরে নৌ কর্মকর্তার প্রাইভেট কার খাদে, দেড় বছরের শিশু নিহত ইরান যুদ্ধ শেষ করতে ইসরায়েলকে এক সপ্তাহ সময় দিল যুক্তরাষ্ট্র কাজিরহাটে একজনকে পিটিয়ে হত্যা, আটক ১ রাষ্ট্রপতি পদে আলোচনায় বিএনপির ৪ সিনিয়র নেতা চরকাউয়ার স্বনির্ভর খাল পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক, অবৈধ স্থাপনা ভাঙার নির্দেশ
৬ মাসের কাজ সাড়ে ৩ বছরেও শেষ নয়, দাঁড়িয়ে শুধু দুই পিলার

৬ মাসের কাজ সাড়ে ৩ বছরেও শেষ নয়, দাঁড়িয়ে শুধু দুই পিলার

প্রতিবেদক : অনলাইন ডেস্ক

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে একটি সেতু নির্মাণের কাজ ছয় মাসে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও সাড়ে তিন বছর পার হয়ে গেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান হয়েছে মাত্র দুটি পিলার। বাকি কাজ ফেলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান উধাও হয়ে যাওয়ায় বছরের পর বছর চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কয়েক গ্রামের হাজার হাজার মানুষ।

জানা যায়, ২০২১—২২ অর্থবছরে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের গ্রামীণ সড়কে ১৫ মিটার পর্যন্ত সেতু নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের দিয়ারা কচুয়া জনতা বাজার খালের ওপর একটি সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ১৫ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয় ৬৬ লাখ ৮ হাজার ৯৯৮ টাকা।

সর্বচ্চ দরদাতা হিসাবে কাজটি পায় পটুয়াখালীর মেসার্স সাফিন এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। চুক্তি অনুযায়ী ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কয়েক দফা সময় বাড়ানো হলেও কাজের কোনো অগ্রগতি নেই। তিন বছরে কাজ হয়েছে কেবল দুটি পিলার নির্মাণ।

প্রায় এক বছর ধরে নির্মাণকাজ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। ঠিকাদার লাপাত্তা থাকায় স্থানীয়রা বাধ্য হয়ে সেতুর পাশে কাঠের একটি ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো তৈরি করে চলাচল করছেন। এতে কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছেন। প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।

দক্ষিণ ও উত্তর কচুয়া গ্রামের হাজার হাজার মানুষের একমাত্র চলাচলের পথের এই সেতুটি দ্রম্নত নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. আনোয়ার হোসেন (৪৮) বলেন, “২০২৩ সালে ব্রিজের কাজ শুরু হয়। কিছুদিন কাজ করার পর ঠিকাদার কাজ বন্ধ করে দেন। পরে অল্প কিছুদিন কাজ করে প্রায় এক বছর ধরে লাপাত্তা।”

আরেক বাসিন্দা মজিবর রহমান মাঝি (৫৩) বলেন, “ঠিকাদারের কাঠের সাঁকো তৈরি করে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা না করায় আমরা নিজেরাই চাঁদা তুলে সাঁকো বানিয়ে চলাচল করছি। এতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে, বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা বেশি ঝুঁকিতে পড়ছেন।”

একই এলাকার বাসিন্দা রহিমা বেগম (৩৯) বলেন, “নড়বড়ে সাঁকোর কারণে অনেক সময় ছেলে—মেয়েরা স্কুল—মাদ্রাসায় যেতে পারে না। অনেকেই পড়ে গিয়ে আহত হয়েছে।

এ বিষয়ে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মোর্শেদ মুরাদ বলেন, “যখন কাজ শুরু হয় তখন আমি এখানে কর্মরত ছিলাম না। ঠিকাদারকে ৩৩ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। যোগদানের পর বিষয়টি জানতে পেরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ শুরু করতে চিঠি দেওয়া হয়েছে। দ্রম্নত কাজ শুরু না হলে চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© 2019, All rights reserved.
Design by RaytaHost
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com