শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ন
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় গলা কাটা ও মাথাবিহীন অবস্থায় উদ্ধার হওয়া যুবকের পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মো. মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
নিহতের নাম গোপাল চন্দ্র দাস (৪৫)। তিনি বরিশাল সদর উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের গনপাড়া গ্রামের পরিমল চন্দ্র দাসের ছেলে। সন্দেহভাজন হত্যাকারীদের একজনের নাম মো. সম্রাট এবং অপর ব্যক্তির নাম মো. রাজু। এর মধ্যে মো. সম্রাটকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটের দিকে একটি সাদা রঙের আরটিআর মোটরসাইকেলযোগে তিন যুবক মামুন মিয়ার ইটভাটার ভেতরে প্রবেশ করে। পরে ৩টা ২৭ মিনিটের দিকে মোটরসাইকেলে থাকা দুই যুবক দ্রুত সেখান থেকে বের হয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পর ভাটার এক কর্মচারী নদীর পাড়ে গিয়ে মস্তকবিহীন মরদেহটি দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে স্থানীয়রা ছুটে আসে এবং পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে।
নির্ভরযোগ্য পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সন্দেহভাজন হত্যাকারীদের একজনকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের ধারণা, অজ্ঞাত কোনো স্থান থেকে ওই যুবককে অপহরণ করে নির্জন স্থানে এনে হত্যা করা হয়েছে এবং পরে মস্তকবিহীন মরদেহটি সেখানে ফেলে রাখা হয়।
পুলিশ সুপার মো. মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে নেছারাবাদ উপজেলার সমুদয়কাঠী ইউনিয়নের পূর্ব সারেংকাঠি গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মামুন মিয়ার ইটভাটার দক্ষিণ-পশ্চিম পাশে নদীর তীর থেকে গলা কাটা ও মস্তকবিহীন এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে শনিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি পিরোজপুর জেলা মর্গে পাঠানো হয়।
তিনি আরও বলেন, লোমহর্ষক এ হত্যাকাণ্ডের তদন্তে পিবিআই, সিআইডি ও র্যাব কাজ করছে। ইতোমধ্যে ঘটনাস্থলের আশপাশের কিছু সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। ফুটেজে সন্দেহভাজন দুজনকে শনাক্ত করা গেছে এবং রাতেই সম্রাট নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যজনকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
Leave a Reply