রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৩:০০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
লঞ্চ ও পন্টুনের মাঝে চাপা খেয়ে কিশোরের পা প্রায় বিচ্ছিন্ন লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে ২২ জনের মৃত্যু, ২১ জনই বাংলাদেশি কুয়াকাটা থেকে ফেরার পথে সড়ক দূর্ঘটনায় প্রাণ গেল যুবকের ফেসবুক পোস্টে শ্রমিক দল নেতাকে শোকজ পটুয়াখালীতে মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি খোকন জোমাদ্দার গ্রেপ্তার বন্ধ দুই পাম্পে মিলল ৫৪ হাজার লিটার জ্বালানি, অর্ধ লাখ টাকা জরিমানা বাকেরগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে হামলা-ভাংচুর, আহত-৫ ঈদের শুভেচ্ছা ব্যানার নিয়ে আলোচনায় বিসিসির ওয়ার্ড সহকারী, কাউন্সিলর নির্বাচনে অংশগ্রহণের গুঞ্জন প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে নয়াপল্টনে বিএনপি নেতাকর্মীদের ঢল বরিশালে নদীর পাড় থেকে মরদেহ উদ্ধার রাজশাহী মেডিকেলের পরিচালককে ফাঁসি দেওয়া উচিত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নেশার টাকা জোগাতে বন্ধুকে গলাকেটে হত্যা, গ্রেফতার ৩ দুবাইয়ে ইরানের হামলায় ৫ শতাধিক মার্কিন সেনা হতাহত! মেহেন্দিগঞ্জে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, উভয় পক্ষের দুজন হাসপাতালে মেহেন্দিগঞ্জে খাল খননের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের সরে যেতে বলল বিপ্লবী গার্ড আ.লীগ নেতাকে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দেখতে চেয়ে শ্রমিক দল নেতার ফেসবুক পোস্ট বাউফলে চাঁদাবাজি মামলায় খাদ্য কর্মকর্তা গ্রেফতার সকাল ৯টার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা ছুটির দিনেও বিসিসির সভা, কাজের গতি বাড়ানোর তা‌গিদ প্রশাসকের
গলাচিপায় চুরির অপবাদ সহ্য করতে না পেরে নারীর আত্মহত্যার অভিযোগ

গলাচিপায় চুরির অপবাদ সহ্য করতে না পেরে নারীর আত্মহত্যার অভিযোগ

প্রতিবেদক : অনলাইন ডেস্ক

পটুয়াখালীর গলাচিপায় চুরির অপবাদ সহ্য করতে না পেরে সেলিনা বেগম (৫০) নামের এক নারী আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

রবিবার (২২ মার্চ) সকালে উপজেলার সদর ইউনিয়নের উত্তর চরখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্বামী পরিত্যক্তা সেলিনা বেগম দীর্ঘদিন ধরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধ এলাকায় ছেলে ও পুত্রবধূকে নিয়ে বসবাস করতেন। সম্প্রতি বেড়িবাঁধ সংস্কারের কারণে উচ্ছেদ হলে তিনি পাশেই একটি ঝুপড়িতে বসবাস শুরু করেন। কয়েকদিন আগে তিনি প্রতিবেশী আলমগীর শিকদারের বাড়ির বারান্দায় থাকতেন।

গত ১৭ মার্চ ওই বাড়ি থেকে স্বর্ণ ও রুপার গহনা চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বাড়ির লোকজন সেলিনা বেগমকে সন্দেহ করে। পরে সেদিন সন্ধ্যায় স্থানীয়দের নিয়ে সিরাজুল সিকদারের বাড়িতে একটি সালিশ বৈঠক বসে। অভিযোগ রয়েছে, ওই সালিশে সেলিনা বেগমকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয় এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ‘চোর’ স্বীকার করানো হয়। এমনকি তার কাছ থেকে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষরও নেওয়া হয়।

সেলিনার ছেলে ইফাজুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, সালিশে উপস্থিত কয়েকজন ব্যক্তি তার মাকে মারধর করে এবং ভয় দেখিয়ে স্বীকারোক্তি আদায় করেন এবং চোরাই স্বর্ণ ঈদের পরে দিন দিতে স্বীকারোক্তি নেয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তাকে মারধর করা হয় এবং নখ তুলে ফেলার ভয় দেখানো হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকে জানান, সেলিনা বেগম দীর্ঘদিন অন্যের বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন এবং তার বিরুদ্ধে আগে কখনো চুরির অভিযোগ শোনা যায়নি।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন সকালে সেলিনা বেগম তার ছেলেকে ফোন দিয়েছিলেন। পরে তিনি ঘরে গিয়ে তার মাকে মৃত অবস্থায় পান। স্বজনদের দাবি, চুরির অপবাদ সহ্য করতে না পেরে তিনি গ্যাড ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তবে সালিশদার সিরাজুল সিকদার নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাকে কোনো ধরনের নির্যাতন করা হয়নি। শুধু একটি স্ট্যাম্প স্বাক্ষর রাখা হয়েছিল।

এদিকে, চুরি হওয়া গহনার মালিক আলমগীর মাস্টার দাবি করেন, সেলিনা বেগম চুরির বিষয়টি স্বীকার করেছিলেন এবং গহনা ফেরত দেওয়ার কথা ছিল।

গলাচিপা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ঝিলন সিকদার জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© 2019, All rights reserved.
Design by RaytaHost
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com