সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪০ অপরাহ্ন

শিরোনাম
আদালতে আইনজীবীর থেকে ঘুষ নেওয়ায় পুলিশ সদস্য বরখাস্ত মেহেন্দিগঞ্জ থানা পুলিশ কর্তৃক ২৫০ পিচ ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ কলাপাড়ায় অধ্যক্ষের কক্ষে তালা ঝুলালেন শিক্ষকরা, স্বেচ্ছাচারিতা ও অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগ ষড়যন্ত্রের কবলে মেহেন্দিগঞ্জে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাসুম বিদ্যুৎ ঘাটতিতে বিপর্যস্ত বরিশাল নগরী মেঘনা নদীতে জাটকা নিধন রোধে অভিযানে ১৯ জেলে আটক, অর্থদণ্ড কাজিরহাট থানা বিদ্যানন্দপুর মডেল ইউনিয়ন টি বেহাল দশা মঠবাড়িয়ায় টেকনিক্যাল স্কুল স্থানান্তরের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন ভারতের বাংলাদেশ সফর অনিশ্চিত, নিউজিল্যান্ড সিরিজের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত টাইগাররা ডিজেল সংকটে নৌকা বন্ধ, দুশ্চিন্তায় জেলে পিতৃপরিচয়ের দাবিতে যুবকের দ্বারে দ্বারে ধরনা গৌরনদীতে সরকারি প্রকল্পে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ চরফ্যাশনের সেই প্রেমিক-প্রেমিকার বিয়ে আমতলীতে বাসচাপায় খানকায়ে ছালেহিয়া কমপ্লেক্সের খাদেম নিহত পিরোজপুরে জেলের জালে ১০ লাখ টাকার লাক্ষা মাছ তনু হত্যার ১০ বছর পর ৩ জনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ ড. ইউনূসসহ সব উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ সংসদে শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপির তালিকা প্রকাশ মেহেন্দিগঞ্জে মাদকসহ দুই যুবক আটক কাজিরহাটএলাকায় মা-দ-কের রমরমা বাণিজ্য উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী
গৌরনদীতে সরকারি প্রকল্পে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ

গৌরনদীতে সরকারি প্রকল্পে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ

প্রতিবেদক : অনলাইন ডেস্ক

বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের অধীনে পরিচালিত বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে কাজ পেতে আগাম ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পের কাজ পাওয়ার আগেই ঠিকাদারদের কাছ থেকে নির্ধারিত হারে ঘুষ নেওয়া হচ্ছে। টাকা না দিলে ঠিকাদারদের নানা ধরনের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে বলে জানা গেছে। ফলে বাধ্য হয়ে অনেকেই ঘুষ দিয়ে কাজ নিচ্ছেন।

জানায়, বিভিন্ন প্রকল্পে নির্দিষ্ট হারে ঘুষ আদায় করা হচ্ছে। এর মধ্যে ব্রিজ নির্মাণের কাজের ক্ষেত্রে ঠিকাদারদের কাছ থেকে ১০ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা আবাসন প্রকল্পে ৮ শতাংশ এবং টিআর ও কাবিখা প্রকল্পে বিল ছাড়ের ক্ষেত্রে প্রায় ১৪ শতাংশ পর্যন্ত ঘুষ নেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে অগ্রিম স্বাক্ষরের জন্য এজি অফিস ও সোনালী ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয়ের অভিযোগও রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, পিআইও (প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা) অফিসের সহকারী শংকর বড়াল মিলনের মাধ্যমে এসব ঘুষের টাকা লেনদেন করা হয়। এমনকি তাকে অফিসে বসেই ঠিকাদারদের কাছ থেকে টাকা গুনতে দেখা গেছে একটি ভিডিওতে। ওই ভিডিওতে তাকে টাকার বান্ডিল গুনতে এবং মোবাইল ফোনে কথা বলতে দেখা যায়। ১শত টাকার তিন বান্ডেল ও ১ হাজার টাকার একটি বান্ডেল। তাতে প্রায় দুই লাখ টাকার ঘুষ লেনদেনের ঘটনাও ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে।

এছাড়া কাবিখা প্রকল্পের চাল ও গম সর্বনিম্ন দামে অফিস সহকারীর মাধ্যমে কেনাবেচার অভিযোগ রয়েছে পিআইও’র বিরুদ্ধে। উপজেলায় একটি ব্রিজের ঠিকাদার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিনি জানান, এসব ঘুষের টাকার ভাগ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), পিআইও এবং সংশ্লিষ্ট সহকারীরা পেয়ে থাকেন।

আরও জানা গেছে, টিআর ও কাবিখা প্রকল্পে কাজ সম্পূর্ণ না করেই প্রকল্প সভাপতিদের সঙ্গে সমন্বয় করে বিল উত্তোলন করা হয় এবং সেই টাকা ভাগাভাগি করা হয়। এ কাজে সংশ্লিষ্ট এক ইঞ্জিনিয়ার আলিমের সম্পৃক্ততার অভিযোগও উঠেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© 2019, All rights reserved.
Design by RaytaHost
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com