, , ,
শিরোনাম
ট্রলার মেরামতের সময় বিদ্যুতায়িত যুবকের মৃত্যু ফেসবুক পোস্টের জেরে যুবককে কুপিয়ে জখম ভোলায় যুবকের মরদেহ উদ্ধার আদালতের নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে বগুড়া রোডে হিলভিউ হাউজিংয়ের রাজত্ব: পাহারা বসিয়ে পুলিশের চোখ ফাঁকি ভাণ্ডারিয়ায় প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে ৪৮টি মন্দিরের দুগার্ পূজা সম্পন্ন বাকেরগঞ্জে স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে যুবকের আত্মহত্যা মেহেন্দিগঞ্জে স্ব-মিলের তার ও বাড়িঘরে চুরির হিড়িক: নীরব ভূমিকা পুলিশের! বিশ্বজুড়ে সাইবার হামলার শঙ্কা, বাংলাদেশেও সতর্কতা জারি সেফটিক ট্যাংকিতে কাজ করার সময় দুই শ্রমিকের মৃত্যু ৪০ জনপ্রতিনিধির কাজ করছেন ১৬ কর্মকর্তা, পদে পদে ভোগান্তি
মঠবাড়িয়ায় মাদ্রাসার চার শিক্ষকের বিরুদ্ধে জাল সনদে চাকরির অভিযোগ

মঠবাড়িয়ায় মাদ্রাসার চার শিক্ষকের বিরুদ্ধে জাল সনদে চাকরির অভিযোগ

Reporter
প্রতিবেদক : বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত : সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার তাফালবাড়িয়া হাসানিয়া আলিম মাদ্রাসার চার শিক্ষকের বিরুদ্ধে জাল নিবন্ধন সনদ ব্যবহার করে চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষক—কর্মচারীদের অনিয়মিত উপস্থিতি, বেতন—ভাতা উত্তোলনে জাল স্বাক্ষর ব্যবহার এবং নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগও করেছেন মাদ্রাসার সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা মো. জাকারিয়া।

অভিযোগের বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসের পরিদর্শক তাপস কুমার অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনায় হতাশা প্রকাশ করেছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মাদ্রাসাটিতে শিক্ষক—কর্মচারী রয়েছেন ২১ জন। তবে দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে সাতজনের বেশি নিয়মিত উপস্থিত থাকেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। অনিয়মিত শিক্ষকেরা বেতন—ভাতা উত্তোলন কিংবা বিশেষ প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠানে এসে আগের দিনের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। বিভিন্ন সময় বেতন—ভাতা উত্তোলনে জাল স্বাক্ষর ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে।

মাওলানা মো. জাকারিয়া জানান, মাদ্রাসাটির চার শিক্ষক অবৈধ পন্থায় চাকরি নিয়েছেন এবং তাদের নিবন্ধন সনদ জাল। তাদের মধ্যে মো. মহিবুল্লাহ ২০১৪ সালে বিএ পদের বিপরীতে সাধারণ শিক্ষক হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন। পরে ২০২২ সালের মার্চে প্রভাষক হিসেবে বেতন—ভাতা গ্রহণ শুরু করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে নিয়োগ না পেয়ে পরিচালনা কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ পেয়েছেন বলেও দাবি করা হয়।

ইবতেদায়ি প্রধান মো. তৈবুর রহমানের ফাজিল সনদ নেই বলে অভিযোগ করেছেন সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ। তার দাবি, ২০২৪ সালে তাকে ইবতেদায়ি প্রধান পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট কয়েকজন শিক্ষকের ভাষ্য, তার নিবন্ধনের যোগ্যতা দিয়ে ওই পদে নিয়োগের সুযোগ নেই।

ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক মো. মারুফ ২০১৪ সালে জাল নিবন্ধন সনদ ব্যবহার করে এবং এনটিআরসিএর সুপারিশ ছাড়াই চাকরিতে যোগ দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost