
ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। জাতীয় নির্বাচনে জোটবদ্ধভাবে অংশ নিলেও স্থানীয় নির্বাচনে পৃথকভাবে প্রার্থী দেবে ১১ দলীয় জোটের প্রধান দুই দল জামায়াত ও এনসিপি। ইতিমধ্যে স্থানীয় নির্বাচনের প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে জামায়াত। এরই মধ্যে কয়েকটি সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে প্রার্থী প্রাথমিকভাবে চূড়ান্ত করেছে দলটি। ইউপি নির্বাচনের প্রার্থীও অনেক জায়গায় ঘোষণা করা হয়েছে স্থানীয়ভাবে। ইতিমধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীরা মাঠে প্রচার—প্রচারণাসহ সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিচ্ছেন।
অন্যদিকে, ইউপি নির্বাচনের প্রার্থী চূড়ান্ত করার প্রস্তুতি নিচ্ছে এনসিপি। শিগগিরই সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করবে দলটি। তবে রোডম্যাপ ঘোষণার পরও নির্বাচন আয়োজনের প্রক্রিয়া নিয়ে স্পষ্ট অবস্থান দেখতে চায় জামায়াত। এনসিপি’র নেতারাও নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা ও পেছানোর আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন।
জামায়াত সূত্র জানায়, নির্বাচন কমিশনকে সংবিধান যে ক্ষমতা, কার্যপরিধি ও এখতিয়ার দিয়েছে, তা কমিশন প্রয়োগ করবে কিনা, সে প্রশ্ন রয়েছে। কমিশন স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেবে, নাকি সরকারের দিকে তাকিয়ে থাকবে—তা নিয়েও সংশয় রয়েছে। সরকার কোনো সিদ্ধান্তে আপত্তি জানালে কমিশন তা মেনে নেবে কিনা, কিংবা সরকারকে খুশি করতে নিজেদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করবে কিনা, সেটিও প্রশ্নের বিষয়।
দলটির সূত্রের ভাষ্য, কতো ধাপে নির্বাচন হবে, সেটি বড় কথা নয়। সুনির্দিষ্টভাবে পূর্ণাঙ্গ তফসিল ঘোষণা না করা পর্যন্ত নির্বাচন নিয়ে ধোঁয়াশা কাটবে না। রোডম্যাপ বা পরিকল্পনা নিয়ে আশঙ্কা রয়েছে। নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ না করলে জনগণের মধ্যে আস্থা তৈরি হবে না। কমিশন সরকারের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হলে রোডম্যাপ ঘোষণায় খুব বেশি আশাবাদী হওয়ার কারণ নেই।