বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৮:৪৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম
কুকুর-বিড়ালের কামড় বা আঁচড় দিলেই ছুটতে হচ্ছে বরিশাল, ক্ষোভে ফুঁসছে সাধারণ মানুষ কাউখালী পরিসংখ্যান অফিসে জনবল সংকট এক কর্মকর্তাই চালাচ্ছেন পুরো অফিস বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ওএসডিকৃত এসেসর মোয়াজ্জেমের পুনর্বহালের চেষ্টার অভিযোগ হামের টিকার পরিবর্তে শিশুকে দেওয়া হলো জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন অতঃপর… একনেকে ৩৬ হাজার ৬৯৬ কোটি টাকার ৯ প্রকল্প অনুমোদন নানাবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে খালে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যু দিন দিন বাড়ছে নগর, কমছে গৃহকর আদায় বরিশালে আনসার বাহিনীর গাড়ির চাপায় শিশু নিহত, আহত মা; তিন মাসেও বিচার না পাওয়ার অভিযোগ বাবার ধর্ষণের শিকার মেয়ে, মায়ের অভিযোগ ধর্ষক বাবা গ্রেপ্তার ৬ তলা থেকে প্রেমিকার ঝাঁপ
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ওএসডিকৃত এসেসর মোয়াজ্জেমের পুনর্বহালের চেষ্টার অভিযোগ

বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ওএসডিকৃত এসেসর মোয়াজ্জেমের পুনর্বহালের চেষ্টার অভিযোগ

বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এর রাজস্ব বিভাগের কর ধার্য শাখার ওএসডিকৃত সাবেক এসেসর মোয়াজ্জেমকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, তিনি বিভিন্ন মহলে তদবির ও লবিং চালিয়ে পুনরায় চাকরিতে বহাল হওয়ার চেষ্টা করছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাবেক মেয়র শওকত হোসেন হিরণ এর আমলে নামমাত্র পরীক্ষার মাধ্যমে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে মোয়াজ্জেম ও খুসবু এসেসর পদে নিয়োগ পান। অভিযোগ রয়েছে, কর ধার্য শাখার এক কর্মকর্তা মামুনের সহায়তায় তারা চাকরিতে প্রবেশ করেন। পরবর্তীতে নানা কৌশলে সেই মামুনকেই চাকরিচ্যুত করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, দীর্ঘদিন রাজস্ব বিভাগে দায়িত্ব পালনকালে মোয়াজ্জেম অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল সম্পদের মালিক হন। পরে সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ এর সময় তিনি আস্থাভাজন হিসেবে কাজ করেন এবং রাজস্ব বিভাগ, ট্রেড লাইসেন্স শাখা, কর আদায় শাখা ও প্ল্যান শাখাসহ বিভিন্ন দপ্তরে প্রভাব বিস্তার করেন।

সিটি কর্পোরেশনের একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর অভিযোগ, ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম করতেন এবং অনেকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করতেন। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

পরবর্তীতে আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে মোয়াজ্জেম, খুসবুসহ কয়েকজনকে ওএসডি করা হয়। এরপর দায়িত্ব পালনকারী প্রশাসকরাও তাদের ওএসডি প্রত্যাহার করেননি বলে জানা গেছে।

এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সিটি কর্পোরেশনের একাধিক ব্যক্তি দাবি করেছেন, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের অভিযোগ থাকা এসব ব্যক্তিকে পুনরায় চাকরিতে ফিরতে না দেওয়ার জন্য বর্তমান প্রশাসকের প্রতি জোর দাবি জানানো হচ্ছে।

অন্যদিকে অভিযোগ রয়েছে, বর্তমান সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান সরোয়ার মেয়র থাকাকালীন সময়ে যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ পেয়েছিলেন, তাদের বেতন আটকে রাখা, ব্যক্তিগত আক্রোশে ও বিএনপি করার অভিযোগে অনেককে ওএসডি, সাময়িক বরখাস্ত ও চাকরিচ্যুত করার ক্ষেত্রেও মোয়াজ্জেমের ভূমিকা ছিল।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মোয়াজ্জেমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ব্যস্ততার কথা বলে ফোন কেটে দেন।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost