, , ,
শিরোনাম
চাঁদা না পেয়ে ঠিকাদারের মোটরসাইকেল নিয়ে গেলেন বিএনপি নেতা! পটুয়াখালীতে দুই সাংবাদিককে কুপিয়ে জখম ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর উপলক্ষে মির্জাগঞ্জে বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা রাতে ঘুমাতে গেলেন ঘরে, সকালে বিবস্ত্র লাশ মিলল সুপারিবাগানে বরিশাল চাঁদমারী—ত্রিশগোডাউন এলাকায় চুরির হিড়িক, আতঙ্কে বাসিন্দারা নেছারাবাদে বিএনপির তিন গ্রুপে বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন নলছিটিতে পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি ভেঙে ছাত্রলীগ নেতাকে ছিনিয়ে নিল সমর্থকেরা যশোরের যুবক পটুয়াখালীতে গ্রেপ্তার প্রস্রাবের কথা বলে হাতকড়াসহ পালালেন মাদক কারবারি, অবশেষে আটক বিএনপির নয় নেতার স্ত্রী ও চারজনের সন্তান সারের ডিলার
নেছারাবাদে বিএনপির তিন গ্রুপে বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন

নেছারাবাদে বিএনপির তিন গ্রুপে বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন

Reporter
প্রতিবেদক : বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত : রবিবার, ০৮ নভেম্বর, ২০২৬

উপজেলা কমিটি না থাকায় কেন্দ্রীয় ঘোষিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের কর্মসূচি তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে পালন করেছেন পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের নেতা—কর্মীরা। আজ রোববার (৮ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে পৃথক তিনটি স্থান থেকে মিছিল ও সমাবেশ করেন তাঁরা। দলীয় এমন বিভক্তি স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা—সমালোচনার সৃষ্টি করেছে।

আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার জগন্নাথকাঠি বাজারের সুপারিপট্টি থেকে স্বরূপকাঠি পৌর বিএনপির সভাপতি কাজী কামাল হোসেনের নেতৃত্বে একটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি পৌর শহরের বাজার রোড ও তেঁতুলতলা ঘুরে পুরাতন থানা এলাকার রিকশাস্ট্যান্ডের তিন রাস্তার মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন কাজী কামাল হোসেনসহ তাঁর সঙ্গে থাকা নেতাকর্মীরা।

এরপর জগৎপট্টি গ্রামের সন্ধ্যা নদীর অপর পাশে ডাকবাংলার সামনে থেকে নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নাছির উদ্দীন তালুকদারের নেতৃত্বে আরেকটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি নদীরপাড় সড়ক হয়ে পুরাতন থানা সড়ক, তেঁতুলতলা ও জগন্নাথকাঠি বাজার সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন নাছির উদ্দীন তালুকদারসহ তাঁর অনুসারীরা।

প্রায় একই সময়ে পৌরসভা কার্যালয়ের সামনে থেকে তৃতীয় একটি মিছিল বের হয়। এতে নেতৃত্ব দেন নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল বেরুনী সৈকত, স্বরূপকাঠি পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম ফরিদ এবং পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মইনুল হাসান। মিছিলটি পৌর শহরের বাজার রোড, তেঁতুলতলা ও পুরাতন থানা সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় পৌরসভা কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন নেতারা।

দলীয় গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি একযোগে পালন না করে তিনটি পৃথক গ্রুপে বিভক্ত হয়ে কর্মসূচি পালন করায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সতর্ক অবস্থানে ছিল পুলিশ।

এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, তিনটি গ্রুপ একই দিনে পৃথক স্থান ও সময়ে কর্মসূচি পালন করেছে। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে ছিল। তবে কর্মসূচি চলাকালে কোনো সমস্যা হয়নি।

নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মো. ফকরুল আলম বলেন, ‘উপজেলা বিএনপির কমিটি না থাকায় হয়তো নিজেদের সাংগঠনিক সক্ষমতা দেখাতে তিনটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে কর্মসূচি পালন করেছে। সবাইকে একত্র করে কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানানো হয়েছিল। কিন্তু কেউই তাতে সাড়া দেয়নি। এ কারণে আমি নিজেও কর্মসূচিতে উপস্থিত হইনি।’

ফকরুল আলম আশা প্রকাশ করে বলেন, নতুন কমিটি গঠন হলে এ সমস্যা দ্রুত সমাধান হবে। কমিটি না থাকায় নেতৃত্বের অনৈক্য থেকে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

পিরোজপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. নজরুল ইসলাম খান বলেন, নেছারাবাদে পৃথক কর্মসূচি পালনের বিষয়টি জানা ছিল না। এটি কেন্দ্রীয় ঘোষিত কর্মসূচি। তাই সবাইকে একত্র হয়ে কর্মসূচি পালন করার প্রয়োজন ছিল। মূল বিষয় হলো, কর্মসূচি বাস্তবায়ন হয়েছে কি না।

তবে দলীয় এত বড় একটি কর্মসূচি সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে পালন করলে ভালো হতো কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে নজরুল ইসলাম বলেন, পৃথক কর্মসূচি পালনের অন্যতম কারণ নেছারাবাদে বিএনপির কোনো কমিটি না থাকা। তবে সবাই একত্র হয়ে কর্মসূচি পালন করলে আরও ভালো হতো।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost