, , ,
শিরোনাম
ভাণ্ডারিয়ায় আল-গায়যালী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার ফাজিল পরীক্ষার কেন্দ্র স্থগিত কাউখালীতে বাল্যবিবাহ ও মাদক প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সমাবেশ, চার কিশোরী পেলেন লক্ষাধিক টাকার চেক উজিরপুরে বি.এন. খান কলেজের নাম ব্যবহার করে পৈতৃক সম্পত্তি দখলচেষ্টার প্রতিবাদে নগরীতে মানববন্ধন ঝাড়ফুঁকের নামে কিশোরীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিলে অর্থায়নের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার কাউখালীতে নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নল‌ছি‌টি‌তে প্রাথমিক বৃত্তিপ্রাপ্ত ১০৭ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা নতুন করে ইরানে দফায় দফায় হামলা শুরু যুক্তরাষ্ট্রের সালিশের পর স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা, স্বামী গ্রেফতার কারামুক্ত জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান
মির্জাগঞ্জে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি! প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

মির্জাগঞ্জে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি! প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

Reporter
প্রতিবেদক : আলমগীর হোসেন জুয়েল
প্রকাশিত : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬

পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নের পশ্চিম সুবিদখালী গ্রামের মাহাবুব খানের স্ত্রী’ একই বাড়ীর ব্যাক্তিদের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করার অভিযোগ উঠেছে।

 

গত (২২ অক্টোবর) দেবর শশুড় সহ চার জন’কে আসামি করে মির্জাগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল আদালতে লতিফ খান, শাকিল খান, আবু খান, ইউনুচ খান সহ মামলা দায়ের করেন মাহাবুব খানের স্ত্রী সাহিদা বেগম।

 

মামলার সুত্রে যানাযায়,চার নাম্বার আসামি ইউনুস খানের থেকে এক নাম্বার সাক্ষী মাহবুব খান বিশ তিল জমি সাব কবলা করেন। এবং এই সুত্র থেকেই বিরোধ চলেছিলো, এবং বাদী পক্ষের একটি মুরগীর ঘর ভাংচুর ও গলায় থাকা স্বর্নের চেইন একটি মোবাইল নিয়ে যায় যাহার মুল্য

দুই লক্ষ বিয়াল্লিশ হাজার টাকা যাহার সাক্ষী রয়েছেন আটজন।

 

এ বিষয় মামলার বাদী শাহিদা বেগমের কাছে জানতে চাইলে বলেন, ঘড় ভাংচুর ও গলায় থাকা স্বর্নের চেইন নিয়ে যায়, ঘটনা হয়েছে আপনারা সাক্ষীগন’কে জিঙ্গেস করলে পাবেন। বাদীর স্বামী, ও এক নাম্বার সাক্ষী মাহবুব বলেন, আমি মামলা করেছি যা বলার আদালতে বলবো।

 

দুই নাম্বার ও চার নাম্বার সাক্ষী , মোঃ হারুন খান ও তার স্ত্রী বলেন আমরা কিছু দেখিনি এবং এই বিষয় কিছু জানি না। তবে মারামারি হয়নি তর্ক বিতর্ক হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন।

 

পাচ নাম্বার সাক্ষী মোঃ আউব খান, সাংবাদিকদের বলেন এ সব বিষয় আমরা কিছু জানি না বলে চলে যায়। এবিষয়ে সাক্ষী মহাসিন খান শাহিদা বেগমের সামনাসামনি বিডিও সাক্ষাৎকারে বলেন মারামারি বলতে কিছুই হয়নি এবং ১০০% সত্যতা এটা মিথ্যা মামলা এটা আদালতেও আমি বলবো । তিনি শাহিদা বেগমের সম্পর্কে দেবড়।

 

শাহিদা বেগমের স্বামী ও এক নাম্বার সাক্ষী মাহাবুব খানের আপন বড় ভাই সাক্ষী মাসুদ খান,বলেন আমি প্রতিনিয়ত সকালে বাড়ী থেকে কর্মে চলে যাই আমি ঐসব কিছু জানি না, মারামারি হয়েছে কিনা সাংবাদিকের প্রশ্নে বলেন এসব কিছু মিথ্যা ঐ দিন বাড়ীতে লোক মারা গেছে সবাই সেই কাজে ব্যস্ত মারামারি বা হানাহানি বলতে কিছু হয় নাই, এবং আমার ভাই তো আমারই কথা শুনে না, এবং আমি যে সাক্ষী তাই তো আমি জানি না।বাদীর মা ও মাহাবুব খানের শাশুড়ী তারা ঐ তারিখে ঘটনাস্থলে ও এই বাড়ীতে আসেনি বলে নিশ্চিত করেছেন সাক্ষী’রা৷

একই বাড়ীর নাম অনুচ্ছেকে অনেকে বলেন, বাড়িতে একজন ব্যাক্তি মারা গেছেন সবাই আমরা সেই কাজে ব্যাস্ত এবং যারা এই মামলার আসামি তারা সবাই মৃত্যু ব্যাক্তির দাফনে ব্যাস্ত সময় পার করছেন। এ সব কিছু মিথ্যা এবং হয়রানি করা হচ্ছে। জানাজায় আসা উপস্থিতি অনেকে বলেন আমরা ঐ দিন দুপুর থেকে সারারাত ঐ বাড়ীতে অবস্থান করেছি কিন্তু মাহাবুব মৃত্যু ব্যাক্তির জন্য একটু সহানুভূতি হলো না, তিনি অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করেছেন, যাহা পথচারী’রা নিষেধ করেছেন।

 

আসামি ব্যাক্তিরা বলেন, আমরা বাড়ীতে মৃত্যু ব্যাক্তির দাফন জানাজায় ব্যাস্ত ছিলাম এবং আমরা এই মামলা সম্পর্কে অবগত নই, এবং সাংবাদিক এর মাধ্যমে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি এবং এই মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি চাই এবং ইতিপূর্বে

মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্টেট আদালতে ১২—১০—২৬ তারিখে পাচজনকে আসামি করে আরো একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছিলেন এক নাম্বার সাক্ষী মাহবুব খান যাহা নির্বাহী ম্যাজিস্টেট দুই জনকে বেখুসুর খালাস প্রদান করেন।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost