বুধবার, ১০ Jun ২০২৬, ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
পুলিশি অনুমতি না পেয়ে জাপার সভার ভেন্যু পরিবর্তন, যা বললেন মহাসচিব আগৈলঝাড়ায় নারীর পায়ের রগ কাটার অভিযোগ ওয়ার্ড বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ঝালকাঠি এলজিইডিতে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত দাবি ঠিকাদারের অনিয়ম চিহ্নিত হওয়ায় পিআইওর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেহেন্দিগঞ্জে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান শুরু মঠবাড়িয়ায় আইনজীবীদের আদালত বর্জন, ইউএনওর দাবি উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়রানি বরিশাল নগরীর কেডিসি বস্তি থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার বরিশালে বাস ও মাহেন্দ্রার সংঘর্ষে নারী নিহত প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে আপত্তিকর অবস্থায় পুলিশ সদস্য আটক মহাসড়কে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর
বিয়ের মেহেদি না শুকাতেই প্রেমিকের হাত ধরে পালালেন নববধূ

বিয়ের মেহেদি না শুকাতেই প্রেমিকের হাত ধরে পালালেন নববধূ

বিয়ের মাত্র কয়েকটা দিন পার হতে না হতেই, হাতের মেহেদির রঙ চটার আগেই প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়েছেন এক নববধূ। ঈদুল আজহার ঠিক একদিন আগে পারিবারিকভাবে ধুমধাম করে বিয়ে হলেও, বিয়ের মাত্র চার দিনের মাথায় ৩১মে পলায়নের ঘটনা ঘটে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে বরিশালের কাজিরহাট থানার বিদ্যানন্দপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম রতনপুর গ্রামে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন ও মুখরোচক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

​পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কোরবানির ঈদের ঠিক আগের দিন পশ্চিম রতনপুর গ্রামের আলী শিকদারের মেয়ে হাদিয়া (ছদ্মনাম/আসল নাম)—র সাথে একই গ্রামের ফজলু শিকদারের ছেলে সোহাগ সিকদারের পারিবারিকভাবে বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের পর নববধূকে বরের বাড়িতে তুলে নেওয়া হয়। ঈদের আনন্দ আর বিয়ের আমেজ মিলিয়ে দুই পরিবারেই তখন উৎসবমুখর পরিবেশ।

​কিন্তু সেই আনন্দ স্থায়ী হয়নি। ঈদের মাত্র দুই দিন পর, যখন নতুন বিয়ের রেশ আর হাতের মেহেদির রঙও শুকায়নি, ঠিক তখনই সবাইকে চমকে দিয়ে হাদিয়া তার পূর্ব পরিচিত প্রেমিক ইব্রাহিম হাওলাদারের সাথে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। ইব্রাহিম একই গ্রামের জেবুল হাওলাদারের ছেলে।

​ভুক্তভোগী স্বামী সোহাগ সিকদার ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে জানান, “আমি একদম অন্ধকারেই ছিলাম। হাদিয়ার সাথে যে ইব্রাহিমের আগে থেকে কোনো সম্পর্ক বা প্রেম ছিল, তা আমি বা আমার পরিবারের কেউ জানতাম না। সব কিছু ঠিকঠাকই মনে হচ্ছিল। কিন্তু হাতের মেহেদি শুকাতে না শুকাতেই সে এভাবে অন্য একজনের সাথে পালিয়ে যাবে, এটা আমি ভাবতেও পারিনি।”

​ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকে পুরো বিদ্যানন্দপুর ইউনিয়ন জুড়ে তোলপাড় চলছে। একই গ্রামের বাসিন্দা হওয়ায় দুই পরিবারের পাশাপাশি প্রতিবেশীদের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে নানা গুঞ্জন ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

​এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তরুণ—তরুণীর কোনো সন্ধান মেলেনি এবং এই বিষয়ে কোনো পক্ষ থেকে থানায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এলাকা সূত্রে আরো জানা যায়। আলী শিকদারের মেয়ে হাদিয়া অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী সে একজন নাবালিকা মেয়ে কিভাবে তাহার বিয়ে হয়।

 

এলাকাবাসী প্রশাসনকে খতিয়ে দেখার দৃষ্টি কামনা করেন। বিদ্যানন্দপুর ইউনিয়নে দিন দিন কাজী মোজাম্মেল এর মাধ্যমে বেড়েই চলছে এই বাল্যবিবাহের ঘটনা, এলাকাবাসী জানতে চান এই কাজী মোজাম্মেলের খুঁটি জোর কোথায়। মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে কাজী মোজাম্মেল বাল্যবিবাহ সম্পূর্ণ করতে কোন তোয়াক্কা করে না। এমনকি অন্যান্য ইউনিয়নে ও অর্থের বিনিময়ে এই মোজাম্মেল কাজী বাল্যবিবাহ পরান বলে জানা যাচ্ছে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost