, , ,
শিরোনাম
প্রকৃত আসামি প্রবাসে, নামে মিল থাকায় ২০ দিন কারাভোগ করলেন জলিল ভূমি সেবায় আস্থা ফেরানো এসিল্যান্ড মহেশ্বর মন্ডলের বদলি, হতাশ উজিরপুরবাসী সরকার ছয় মাসের মধ্যেই লাইনচ্যুত হয়ে গেছে: সারজিস আলম নেছারাবাদে সমবায় সমিতির নামে শত কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, সাজাপ্রাপ্ত বিশ্বজিৎ গ্রেপ্তার কুয়াকাটায় ২০ দোকানে তালা: জমি বিরোধের আড়ালে দখলের লড়াই, প্রশ্নের মুখে রাজনৈতিক প্রভাব অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা হচ্ছে, থাকবে কিউআর কোড ও রুট নির্ধারণ পিরোজপুরে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় ৭ বছরের কারাদণ্ড এআই দিয়ে ভুয়া র‍্যাব কর্মকর্তা সেজে কিশোরীকে ‘ধর্ষণ’, যুবক গ্রেফতার সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজে ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেমিনার অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে অস্ত্র, গুলি ও গাঁজাসহ একাধিক মামলার আসামি গ্রেফতার
এমসি কলেজে তরুণী ধর্ষণ, ১ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন ৩

এমসি কলেজে তরুণী ধর্ষণ, ১ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন ৩

Reporter
প্রতিবেদক : বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬

সিলেটে এমসি কলেজে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় ১ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ঘটনায় ৪ জন খালাস পেয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) এ রায় ঘোষণা করেন সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের পর মামলায় মোট ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষীদের মধ্যে নির্যাতনের শিকার তরুণী, তার স্বামী, তদন্ত কর্মকর্তা, বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট, এমসি কলেজের এক শিক্ষক এবং ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসকও ছিলেন।

রায়ে সাইফুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড এবং শাহ মাহবুবুর রহমান (রনি), তারেকুল ইসলাম (তারেক) ও অর্জুন লস্করকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

খালাস পেয়েছেন— রবিউল ইসলাম (২৫), মাহফুজুর রহমান মাসুম (২৫), আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল (২৬) ও মিজবাউল ইসলাম রাজন (২৭)।

২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় শাহপরান মাজার এলাকা থেকে ফেরার পথে এমসি কলেজের প্রধান ফটকের সামনে এক দম্পতির প্রাইভেটকার থামিয়ে কয়েকজন যুবক তাদের কলেজ ছাত্রাবাসে নিয়ে যান। সেখানে স্বামীকে আটকে রেখে গাড়ির ভেতরে তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। একই সঙ্গে দম্পতির কাছ থেকে টাকা—পয়সা ছিনিয়ে নেওয়া এবং গাড়ি আটকে রাখারও অভিযোগ ওঠে।

ঘটনার রাতে ভুক্তভোগীর স্বামী শাহপরান থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। তদন্তের একপর্যায়ে আরও দুই ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা শনাক্ত হয়। গাড়ি আটকে রেখে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে দায়ের করা পৃথক মামলাটিও এ মামলার সঙ্গে একত্রে বিচার করা হচ্ছে।

এদিকে ঘটনার পর আত্মগোপনে গেলেও তিন দিনের মধ্যে পুলিশ ও র‌্যাবের অভিযানে আট আসামিকেই গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্ত চলাকালে কয়েকজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এ ছাড়া ডিএনএ পরীক্ষায় আট আসামির মধ্যে ছয়জনের সঙ্গে আলামতের মিল পাওয়া যায় বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর শাহপরান থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন। এরপর অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে মামলাটি রায়ের পর্যায়ে পৌঁছায়।

 

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost