
পরিবারের সদস্যরা জানান, আছিয়াকে মানবপাচারকারী একটি চক্র অপহরণ করে প্রথমে ভারতে এবং পরে পাকিস্তানে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ৪০ হাজার রুপিতে বিক্রি করা হয়। পরে পাকিস্তানের এক ব্যক্তির সঙ্গে তার বিয়ে হয়।
বর্তমানে তিনি পাকিস্তানের মোজাফফরনগরে বসবাস করছেন বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।
আছিয়া পরিবারের সদস্যদের জানান, দীর্ঘদিন পর স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পেরে তিনি আবেগাপ্লুত। জীবনের বড় একটি সময় পাকিস্তানে কাটালেও এখন নিজের পরিবার ও জন্মভূমির কাছে ফিরতে চান তিনি। দেশে ফেরার জন্য সরকারের সহযোগিতাও চেয়েছেন আছিয়া। ছয় ভাই—বোনের মধ্যে আছিয়া চতুর্থ। পাকিস্তানে তার সাত সন্তান রয়েছে বলে জানা গেছে। দীর্ঘ বিচ্ছেদের পর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপিত হলেও প্রায় আড়াই হাজার কিলোমিটার দূরত্ব এখনো বাবা—মেয়ের মাঝে দেয়াল হয়ে আছে।
আছিয়ার বাবা তমিজ উদ্দিন জানান, মেয়েকে হারানোর পর দীর্ঘদিন ধরে তার কোনো খবর পাননি। মেয়ের বেঁচে থাকার খবরই তার কাছে সবচেয়ে বড় আনন্দ। এখন জীবনের শেষ সময়ে মেয়েকে একবার সামনে থেকে দেখতে চান তিনি। ভিডিও কলে দেখা মুখটি এবার বাস্তবে সামনে দাঁড়াবে। মেয়েকে জড়িয়ে ধরার সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে, এমন আশাতেই দিন গুনছেন তিনি।
আছিয়ার ভাই মোস্তফা জানান, দীর্ঘদিন পর বোনের সন্ধান পাওয়ায় পরিবারের সবাই আনন্দিত। তবে তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে পরিবারের সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়াই এখন তাদের সবচেয়ে বড় চাওয়া।
জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তার জানান, আছিয়া বাংলাদেশে ফিরতে চাইলে পাকিস্তানে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে যোগাযোগের সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি তার পরিবার জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করলে আছিয়াকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, আছিয়াকে মানবপাচারকারী একটি চক্র অপহরণ করে প্রথমে ভারতে এবং পরে পাকিস্তানে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ৪০ হাজার রুপিতে বিক্রি করা হয়। পরে পাকিস্তানের এক ব্যক্তির সঙ্গে তার বিয়ে হয়।
বর্তমানে তিনি পাকিস্তানের মোজাফফরনগরে বসবাস করছেন বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।
আছিয়া পরিবারের সদস্যদের জানান, দীর্ঘদিন পর স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পেরে তিনি আবেগাপ্লুত। জীবনের বড় একটি সময় পাকিস্তানে কাটালেও এখন নিজের পরিবার ও জন্মভূমির কাছে ফিরতে চান তিনি। দেশে ফেরার জন্য সরকারের সহযোগিতাও চেয়েছেন আছিয়া। ছয় ভাই—বোনের মধ্যে আছিয়া চতুর্থ। পাকিস্তানে তার সাত সন্তান রয়েছে বলে জানা গেছে। দীর্ঘ বিচ্ছেদের পর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপিত হলেও প্রায় আড়াই হাজার কিলোমিটার দূরত্ব এখনো বাবা—মেয়ের মাঝে দেয়াল হয়ে আছে।
আছিয়ার বাবা তমিজ উদ্দিন জানান, মেয়েকে হারানোর পর দীর্ঘদিন ধরে তার কোনো খবর পাননি। মেয়ের বেঁচে থাকার খবরই তার কাছে সবচেয়ে বড় আনন্দ। এখন জীবনের শেষ সময়ে মেয়েকে একবার সামনে থেকে দেখতে চান তিনি। ভিডিও কলে দেখা মুখটি এবার বাস্তবে সামনে দাঁড়াবে। মেয়েকে জড়িয়ে ধরার সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে, এমন আশাতেই দিন গুনছেন তিনি।
আছিয়ার ভাই মোস্তফা জানান, দীর্ঘদিন পর বোনের সন্ধান পাওয়ায় পরিবারের সবাই আনন্দিত। তবে তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে পরিবারের সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়াই এখন তাদের সবচেয়ে বড় চাওয়া।
জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তার জানান, আছিয়া বাংলাদেশে ফিরতে চাইলে পাকিস্তানে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে যোগাযোগের সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি তার পরিবার জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করলে আছিয়াকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।