, , ,
শিরোনাম
ভাণ্ডারিয়ায় নাম্বারপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে অভিযান, ৩২ হাজার টাকা জরিমানা উজিরপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বাবা,মা ও ছেলেকে কুপিয়ে জখম, মামলা দায়ের পাবনায় ধর্ষণের পর শিশুকে হত্যা, ঘাতকের বাড়ি ভাঙলো জনতা বরিশাল জেলা আদালতে পুলিশ হেফাজত থেকে আসামি পলায়ন চাঁদা না পেয়ে দোকানে তালা দেওয়ার অভিযোগ যুবদল কর্মীর বিরুদ্ধে তেজগাঁও কলেজের মসজিদে বৈঠক, নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্য সন্দেহে আটক ২৩ ববি”তে নদীর তীরে ডেকে ‘র‍্যাগিং’, হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থী পরকীয়ার মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা কারাগারে রাতের আধাঁরে গৃহবধুকে ধর্ষনের ঘটনায় একজন গ্রেপ্তার জুমার নামাজের সময় পুলিশ লাইনে বিস্ফোরণ, প্রাণ গেলো ১৬ জনের
ওবায়দুল কাদেরসহ শীর্ষ সাত নেতার মৃত্যুদণ্ড
মানবতাবিরোধী অপরাধ

ওবায়দুল কাদেরসহ শীর্ষ সাত নেতার মৃত্যুদণ্ড

Reporter
প্রতিবেদক : বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল—২—এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন— আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, জুলাই—আগস্টের ছাত্র—জনতার আন্দোলন দমনে আসামিরা সমন্বিতভাবে নির্দেশনা, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। বিভিন্ন বৈঠকে আন্দোলন দমনে সহিংসতার পরিকল্পনা, সশস্ত্র হামলা এবং দমন—পীড়নে তারা ভূমিকা রাখেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে গত ১৭ আগস্ট যুক্তিতর্ক সম্পন্ন হলে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল—২। গত ২ আগস্ট এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শেষ হয়। তদন্ত কর্মকর্তাসহ রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২৯ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।

চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল—২। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দেওয়া ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন একই আদালত।

এ ছাড়া হত্যাকাণ্ডের নির্দেশনা সংক্রান্ত ১৪টি ফোনকলের তথ্য ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষ মামলায় বিভিন্ন ডিজিটাল তথ্য—প্রমাণও উপস্থাপন করে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost