
ভোলার মনপুরায় স্ত্রীকে দিয়ে যৌন ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে স্বামী—স্ত্রীকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছেন স্থানীয়রা। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ২৬টি ইয়াবা উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ। তবে ঘটনাস্থল থেকে কথিত দুই খদ্দের ও এক মোটরসাইকেলচালক পালিয়ে গেছেন।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাত ৯টার দিকে উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের পুরোনো হাসপাতাল এলাকার স্লুইসগেট—সংলগ্ন ঝোপ থেকে তাঁদের আটক করেন স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের হেফাজতে নেয়। এ সময় আটক নারীর কাছ থেকে ২৬টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয় বলে জানা গেছে।
আটক ব্যক্তির নাম মিজান। তিনি উপজেলার ৩ নম্বর উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা। তাঁর স্ত্রী রানী বেগম (ছদ্মনাম) উপজেলার ৪ নম্বর দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা। স্থানীয়ভাবে মিজান ‘জাটকি মিজান’ নামে পরিচিত।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত ৯টার দিকে উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকা থেকে এক মোটরসাইকেলচালকের সহায়তায় স্ত্রীকে নিয়ে হাজিরহাট ইউনিয়নের পুরোনো হাসপাতাল এলাকার স্লুইসগেট—সংলগ্ন বেড়িবাঁধে আসেন মিজান। ওই মোটরসাইকেলচালকের মধ্যস্থতায় দুই ব্যক্তির সঙ্গে যৌনকর্মের জন্য পাঁচ হাজার টাকায় চুক্তি হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরে বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয়রা সেখানে গেলে স্বামী—স্ত্রী স্লুইসগেট—সংলগ্ন ঝোপে লুকিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাঁদের আটক করে পুলিশে খবর দেন। তবে মোটরসাইকেলচালক মাজেদ ও কথিত দুই খদ্দের সেখান থেকে পালিয়ে যান।
আটক স্বামী—স্ত্রী দাবি করেন, অভাবের কারণে তাঁরা এ কাজে জড়িয়েছেন। তবে উদ্ধার হওয়া ইয়াবা তাঁদের নয় বলে দাবি করেন তাঁরা। তাঁদের ভাষ্য, মোটরসাইকেলচালক মাজেদ ইয়াবাগুলো তাঁদের কাছে রেখে পালিয়ে গেছেন।
মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজাহারুল ইসলাম জানান, আটক স্বামী—স্ত্রীকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে। 7