, , ,
শিরোনাম
বরিশালের ‘বিউটি সিনেমা হল’ জমি ঘিরে কোটি টাকার বিরোধ

বরিশালের ‘বিউটি সিনেমা হল’ জমি ঘিরে কোটি টাকার বিরোধ

Reporter
প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : শনিবার, ০৩ অক্টোবর, ২০২৬

বরিশালের ‘বিউটি সিনেমা হল’ জমি ঘিরে কোটিবরিশাল  নগরীর ঐতিহ্যবাহী ‘বিউটি সিনেমা হল’ ও সংলগ্ন প্রায় ৪০ শতাংশ জমি ঘিরে কোটি কোটি টাকার লেনদেন, চুক্তিভঙ্গ, দ্বৈত বায়না, গোপনে হেবা দলিল সম্পাদন, ভবনে অগ্নিসংযোগ, দখলের চেষ্টা এবং প্রাণনাশের হুমকির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। জমিটির মূল মালিক জুলফিকার আলী চৌধুরী ওরফে জুলু চৌধুরী, তার ছেলে আশিক চৌধুরী এবং বিদেশে অবস্থানরত মেয়ে আঁখি বেগমের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ করেছেন শহীদ ওসমান হাদীর বড় মামা ব্যবসায়ী আবুল হাসান কুদ্দুস ও তার অংশীদাররা।

ভুক্তভোগীদের দাবি, জমি কেনা ও পরবর্তী সময়ে ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পে তারা বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বায়না ও অংশীদারিত্বের বিভিন্ন চুক্তির ভিত্তিতে বিনিয়োগের পরও সম্পত্তির মালিকানা ও প্রকল্পের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে জটিলতা তৈরি করা হয়েছে। এমনকি চুক্তি বহাল থাকা অবস্থায় জমির একটি অংশ গোপনে হেবা দলিলের মাধ্যমে মালিকানা পরিবর্তনের চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

ব্যবসায়ী আবুল হাসান কুদ্দুসের অভিযোগ অনুযায়ী, বিউটি সিনেমা হলসহ প্রায় ৪০ শতাংশ জমির মূল্য প্রায় ৮ কোটি টাকা নির্ধারণ করে জুলফিকার আলী চৌধুরীর সঙ্গে তাদের রেজিস্ট্রি বায়না সম্পাদিত হয়। বায়না রেজিস্ট্রির সময় নগদ ১ কোটি টাকা দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন ধাপে আরও ১ কোটি ৭ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়। সব মিলিয়ে জুলফিকার আলী চৌধুরীকে ২ কোটি ৭ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন কুদ্দুস।

অভিযোগ রয়েছে, এই বিপুল অর্থ নেওয়ার পরও একই সম্পত্তি নিয়ে আক্তারুজ্জামান নামে অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে পুনরায় রেজিস্ট্রি বায়না করা হয়। ভুক্তভোগীদের দাবি, প্রথম পক্ষের সঙ্গে চুক্তি বহাল থাকা অবস্থায় একই সম্পত্তি নিয়ে দ্বিতীয় পক্ষের সঙ্গে চুক্তি করা তাদের আর্থিকভাবে বড় ধরনের ঝুঁকির মধ্যে ফেলে।

বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর বিনিয়োগ করা অর্থ ফেরত পাওয়ার জন্য তারা জুলফিকার আলী চৌধুরীর কাছে চাপ দেন বলে জানান আবুল হাসান কুদ্দুস। পরে তাদের একজন ডেভেলপার কাজী মফিজুল ইসলামের কাছে নেওয়া হয় এবং জমিতে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

ভুক্তভোগীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নতুন ব্যবস্থায় আবুল হাসান কুদ্দুসসহ তিন অংশীদারকে প্রকল্পে মোট ৩০ শতাংশ অংশীদারিত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। প্রত্যেকের অংশ নির্ধারণ করা হয় ১০ শতাংশ করে। প্রকল্পের স্টল ও ফ্ল্যাট বিক্রির প্রথম লভ্যাংশ থেকে তাদের পূর্বের বিনিয়োগের অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়েও সমঝোতা হয় বলে দাবি তাদের।

এ সময় পূর্বের বায়না বাতিল করে ডেভেলপার হিসেবে কাজী মফিজুল ইসলামকে যুক্ত করে নতুন পার্টনারশিপ ডিড সম্পাদন করা হয়। বিনিয়োগের অর্থ ফেরতের নিশ্চয়তা হিসেবে ২ কোটি টাকার পাঁচটি চেক দেওয়ার কথাও জানান ভুক্তভোগীরা।

এরপর প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নিতে বিপুল অর্থ ব্যয় করা হয়। আবুল হাসান কুদ্দুসের দাবি, কাজী মফিজুল ইসলাম প্রকল্পে প্রায় ৫ থেকে ৬ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেন। একই সময়ে জুলফিকার আলী চৌধুরীকেও আরও প্রায় ২ থেকে আড়াই কোটি টাকা দেওয়া হয়। পূর্বের অর্থসহ সব মিলিয়ে প্রকল্পটিতে বিনিয়োগের পরিমাণ ১০ কোটি টাকার বেশি দাঁড়ায় বলে দাবি করেন তারা।

সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগটি ওঠে এরপর। ভুক্তভোগীদের দাবি, পার্টনারশিপ ও প্রকল্পের কার্যক্রম চলমান থাকা অবস্থাতেই জুলফিকার আলী চৌধুরী গোপনে তার ছেলে আশিক চৌধুরীর নামে সম্পত্তি হেবা দলিল করে দেন। পরে ওই হেবা দলিলকে ভিত্তি করে আশিক চৌধুরী অন্য ডেভেলপারদের কাছে প্রকল্পটি হস্তান্তর বা বিক্রির চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনায় কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করা ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। একদিকে তাদের দাবি করা বিনিয়োগ ও অংশীদারিত্ব, অন্যদিকে সম্পত্তির মালিকানা পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়ে বিরোধ আরও তীব্র হয়ে ওঠে।
আবুল হাসান কুদ্দুসের অভিযোগ, পাওনা অর্থ ও চুক্তির অধিকার দাবি করার পর থেকেই তাদের ওপর বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করা শুরু হয়। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তিদের প্রভাব কাজে লাগিয়ে তাদের প্রকল্পের কার্যক্রম বন্ধ করার চেষ্টা করা হয় বলেও দাবি করেন তিনি।

তার অভিযোগ, একপর্যায়ে বুলডোজার ব্যবহার করে ভবনের একটি অংশ ভেঙে দেওয়া হয় এবং প্রকল্পের স্বাভাবিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করা হয়। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তারা আবার নিজেদের কার্যালয়ে বসার চেষ্টা করলে নতুন করে চাপ ও হয়রানির ঘটনা শুরু হয় বলে অভিযোগ করেন কুদ্দুস।

ভুক্তভোগীর দাবি, একপর্যায়ে তাদের সরিয়ে দিতে সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করারও চেষ্টা করা হয়। তবে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বায়না, ডেভেলপমেন্ট চুক্তি, পার্টনারশিপ ডিডসহ বিভিন্ন কাগজপত্র উপস্থাপন করেন বলে জানান। এরপর পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে সংশ্লিষ্টরা সরে যান বলে দাবি তার।

এরপর রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে একটি পক্ষ তাদের কাছ থেকে সম্পত্তি দখলের চেষ্টা চালায় বলেও অভিযোগ করেন কুদ্দুস। তার দাবি, কখনো রাজনৈতিক পরিচয়, কখনো প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম এবং কখনো মামলা-মোকদ্দমার ভয় দেখিয়ে তাদের প্রকল্প থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী আবুল হাসান কুদ্দুসের অভিযোগ, ভবনে অগ্নিসংযোগের আগে গভীর রাতে তাদের ভবনের বিদ্যুৎ সংযোগের লাইন কেটে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় নগরীর সন্ত্রাসী লিমন নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন তিনি। তার দাবি, আশিক চৌধুরীর নির্দেশে সন্ত্রাসী লিমন এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।

এরপরই ভবনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে বলে দাবি করেন কুদ্দুস। তার অভিযোগ, ভবনটি খালি করা এবং জমি থেকে তাদের সরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটানো হয়েছে।

এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে এবং অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে ফায়ার সার্ভিসের তদন্ত চাওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি অগ্নিসংযোগের পেছনে কারা জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে ঘটনাটি ঘটানো হয়েছে, তা তদন্ত করে বের করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

কুদ্দুসের অভিযোগ, জমি ও ভবন নিয়ে আদালতে মামলা চলমান থাকা অবস্থাতেই লিমন নামের ওই ব্যক্তি আশিক চৌধুরীকে সঙ্গে নিয়ে বরিশাল মহানগর বিএনপির এক সাবেক নেতার মাধ্যমে অন্য ডেভেলপারদের সঙ্গে নতুন করে চুক্তি করার উদ্যোগ নেন। এ সময় মোটা অঙ্কের চেক লেনদেনের মাধ্যমে একটি চুক্তি করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

তার অভিযোগ, ওই চুক্তির পর থেকেই তাদের বিরুদ্ধে অগ্নিসংযোগ, উচ্ছেদ এবং বিভিন্ন ধরনের হয়রানিমূলক মামলার ভয় দেখানো শুরু হয়। এ-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় প্রমাণ তাদের হাতে রয়েছে বলেও দাবি করেন কুদ্দুস।

একই সঙ্গে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত যাতে না হয়, সে জন্য প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গায় তদবির করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ভুক্তভোগী আবুল হাসান কুদ্দুস আরও অভিযোগ করেন, আশিক চৌধুরীর বোন আঁখি বেগম বিদেশে অবস্থান করেও বিষয়টিতে প্রভাব বিস্তার করছেন। তার অভিযোগ, আঁখি বেগম যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফোন করে দেশের বিভিন্ন সন্ত্রাসী ও প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম ব্যবহার করে তাদের ভয়ভীতি দেখান এবং প্রাণনাশ ও গুমের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

কুদ্দুসের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তারা আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি নিরাপত্তাহীনতার মধ্যেও রয়েছেন। জমি ও প্রকল্পের বিষয়ে আইনি লড়াই চললেও প্রতিপক্ষ বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করে তাদেরকে পিছু হটানোর চেষ্টা করছে।

আবুল হাসান কুদ্দুসের অভিযোগ, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আশিক চৌধুরী বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম ব্যবহার করে তাদের ভয়ভীতি দেখাতেন। তার দাবি, আশিক চৌধুরীর তৃতীয় স্ত্রী আমিনা বেগমের সিলেটে গ্রামের বাড়ি থাকার সূত্র ধরে সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সুমনের আত্মীয় পরিচয় ব্যবহার করেও তাদের ওপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা হয়েছে।

এছাড়া বরিশাল মহানগরের সাবেক মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর সহধর্মিণী লিপি আবদুল্লাহর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে দাবি করেও তাদের ভয় দেখানো হতো বলে অভিযোগ করেন কুদ্দুস।

তিনি আরও দাবি করেন, আশিক চৌধুরী বরিশাল মহানগরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ছাত্রলীগের সভাপতি পদে মনোনীত প্রার্থী ছিলেন। এসব রাজনৈতিক পরিচয় ও যোগাযোগকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন সময়ে তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে বলে অভিযোগ তার।

আবুল হাসান কুদ্দুস আশিক চৌধুরীর বিদেশে অবস্থান ও প্রবাসী পরিচয় নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তার দাবি, আশিক বিভিন্ন আদালত ও বিভিন্ন স্থানে নিজেকে বিদেশে বসবাসকারী প্রবাসী হিসেবে পরিচয় দেন। কিন্তু তার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে একাধিক মামলা রয়েছে এবং তিনি সেসব মামলায় পলাতক অবস্থায় রয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন কুদ্দুস।

বিউটি সিনেমা হলের জমিকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন কোটি কোটি টাকার বিনিয়োগ নিয়ে। ভুক্তভোগীদের দাবি অনুযায়ী, বায়না, ডেভেলপমেন্ট এবং পার্টনারশিপের বিভিন্ন পর্যায়ে ১০ কোটি টাকারও বেশি অর্থ প্রকল্পে বিনিয়োগ করা হয়েছে।

তাদের অভিযোগ, বিপুল অর্থ বিনিয়োগের পরও চুক্তির শর্ত উপেক্ষা করে সম্পত্তির মালিকানা পরিবর্তনের উদ্যোগ এবং নতুন ডেভেলপারদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। এতে একদিকে বিনিয়োগকারীদের অর্থ ঝুঁকির মুখে পড়েছে, অন্যদিকে জমির প্রকৃত মালিকানা ও চুক্তির বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

ভুক্তভোগীদের দাবি, বিষয়টি শুধু ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক বিরোধ নয়। এর সঙ্গে বিপুল অঙ্কের অর্থ, জমির মালিকানা, ডেভেলপমেন্ট চুক্তি এবং একাধিক পক্ষের স্বার্থ জড়িত। ফলে নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়া প্রকৃত ঘটনা বের করা সম্ভব নয়।

ব্যবসায়ী আবুল হাসান কুদ্দুস ও তার অংশীদাররা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং বিচার বিভাগের কাছে পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন।

তাদের দাবি, বায়না দলিল, পার্টনারশিপ ডিড, চেক, অর্থ লেনদেনের নথি, হেবা দলিল, ভবনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা এবং পরবর্তী সময়ে করা বিভিন্ন চুক্তি একসঙ্গে পর্যালোচনা করলে প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হবে।

একই সঙ্গে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় কারা জড়িত, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার সঙ্গে কারা সম্পৃক্ত, জমি নিয়ে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় নতুন করে কারা ডেভেলপমেন্ট চুক্তি করেছে এবং কারা তাদের বিরুদ্ধে ভয়ভীতি ও চাপ সৃষ্টি করেছে, সেসব বিষয় তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

ভুক্তভোগী পক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, তারা বৈধ কাগজপত্র ও বিনিয়োগের প্রমাণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের আশঙ্কা, প্রভাবশালী মহলের চাপ ও ভয়ভীতির কারণে তারা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জুলফিকার আলী চৌধুরী, আশিক চৌধুরী, আঁখি বেগম এবং অভিযোগে উঠে আসা অন্যান্য ব্যক্তিদের বক্তব্য এ প্রতিবেদনের জন্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।

বিউটি সিনেমা হলের মতো নগরীর গুরুত্বপূর্ণ একটি সম্পত্তিকে ঘিরে কোটি কোটি টাকার লেনদেন, মালিকানা বিরোধ, অগ্নিসংযোগ ও ভয়ভীতির অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি এখন বরিশাল নগরীতে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং বিনিয়োগকারীদের অধিকার নিশ্চিত করতে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost