
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার ১১ নম্বর চানপুর ইউনিয়নের শুকনাকাটি গ্রামে এক নারীর ঘরে এক যুবককে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় জুয়েল হোসেন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা হয়েছে। পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল রাত আনুমানিক ৯টার দিকে শুকনাকাটি গ্রামের সুমাইয়া বেগমের ঘরে জুয়েল হোসেনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান বলে দাবি করেন স্থানীয় কয়েকজন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, সুমাইয়া বেগম ও জুয়েল হোসেনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সম্পর্ক ছিল।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, প্রায় ১২ বছর আগে সুমাইয়া বেগমের সঙ্গে মনির হোসেন হাওলাদারের বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে আট বছর বয়সী একটি মেয়ে ও দুই বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে। সুমাইয়ার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে জীবিকার প্রয়োজনে দুবাইয়ে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।
এদিকে, সুমাইয়ার আট বছর বয়সী মেয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, এর আগেও তাঁর মা কয়েকবার জুয়েল হোসেনের সঙ্গে বরিশালে গিয়েছিলেন। ওই সময় তাকে বাড়িতে একা রেখে যাওয়া হয়েছিল বলে শিশুটি জানিয়েছে।
ঘটনার পর জুয়েল হোসেনের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। পরে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
এ বিষয়ে মেহেন্দিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিন উদ্দিন বলেন, “মেয়ে ধর্ষণের মামলার অভিযোগ দিয়েছে। সে তার স্বামীর সংসার করতে চায়। আমরা বিষয়টি আমলে নিয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করেছি।”