
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের মো. শহিদ হাওলাদার স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে বাসে করে গন্তব্যে যাচ্ছিলেন। কিন্তু ভোরের আলো ফোটার আগেই এক নির্মম সড়ক দুর্ঘটনা সব এলোমেলো করে দিল। নাটোরের বড়াইগ্রামে বাস ও বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে মো. শহিদ হাওলাদারসহ ১১ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় তার মেয়েরও নিহত ও এছাড়া শহীদ হাওলাদারের সহধর্মিনী গুরুতর আহত ও তার ছেলেও আহত ঘটনার পর অন্তত ৩০ জন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে নাটোর—পাবনা মহাসড়কের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র এলাকায় এ ভয়াবহ ঘটনাটি ঘটে। বরগুনা থেকে ছেড়ে আসা চাঁপাইনবাবগঞ্জ গামী ‘আরপি স্পেশাল’ (রোকেয়া) যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা বালুবোঝাই ট্রাকটির প্রচণ্ড মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে এ প্রাণহানি ঘটে।
হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোরে যাত্রীবাহী বাসটি বনপাড়া এলাকা অতিক্রম করার সময় ট্রাকটির সঙ্গে বিকট শব্দে ধাক্কা লাগে। এতে বাসের একাংশ দুমড়েমুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই ট্রাকচালকসহ ৯ জন নিহত হন এবং আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও ২জনের মৃত্যু হয়।
বনপাড়া হাইওয়ে থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান জানান, নাটোরের বড়াইগ্রামে নাটোর-পাবনা মহাসড়কে আরপি পরিবহনের একটি বাস ও বালুবোঝাই একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় যানের সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলে ৯ যাত্রী নিহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও চারজন মারা যান।