, , ,
শিরোনাম
ভান্ডারিয়ায় ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে ভার্চুয়ালে উদ্বোধন করেন — গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ভাণ্ডারিয়ায় সমতার তারন্য বিষয়ে যুবদের সংলাপ অনুষ্ঠিত বরিশালে জাতীয় পার্টির নেতা হাবুলকে আটকের পর, মুচলেকা নিয়ে মুক্তি বামনায় শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ এর সমাপনীর শুভ উদ্বোধন ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় নিষিদ্ধ জাল জব্দ ও বিনষ্ট: উদ্ধারকৃত ইলিশ এতিমখানায় দান উজিরপুরে দুর্গাপূজায় সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে পূজামণ্ডপে পলাশ কুণ্ডু ভাণ্ডারিয়ায় প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত জিয়ানগরে পল্লী চিকিৎসক নেতাসহ দুজনকে কুপিয়ে জখম পিরোজপুরে ইউপি সদস্যের নামে জেলে কার্ড, পাচ্ছেন বরাদ্দের চাল বরিশালে জাতীয় পার্টির মহানগর আহ্বায়ক হাবুল আটক
প্রকৃত আসামি প্রবাসে, নামে মিল থাকায় ২০ দিন কারাভোগ করলেন জলিল

প্রকৃত আসামি প্রবাসে, নামে মিল থাকায় ২০ দিন কারাভোগ করলেন জলিল

Reporter
প্রতিবেদক : অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মামলার প্রকৃত আসামি না হয়েও শুধু নাম ও বাবার নামের মিল থাকায় বিনাদোষে ২০ দিন কারাগারে থাকতে হলো পটুয়াখালীর মহিপুরের নিরপরাধ জেলে মো. জলিল হাওলাদারকে। পুলিশ পরিচয়ের অন্যান্য তথ্য সঠিকভাবে যাচাই না করায় এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) পটুয়াখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আমলী আদালতের বিচারক আবু বকর সিদ্দিক বিষয়টি অবহিত হয়ে জলিল হাওলাদারের জামিন মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে আগামী ধার্য তারিখে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও মামলার বাদীকে আদালতে সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২ লাখ ৭৩ হাজার ৫১৩ টাকা পাওনা আদায়ের দাবিতে ২০২৩ সালে মো. জলিল হাওলাদার নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পটুয়াখালী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সিআর মামলা করেন ব্যবসায়ী মো. আলমগীর হোসেন। ওই মামলায় জারি হওয়া গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে গত ১৯ আগস্ট মহিপুর থানা পুলিশ ভুলবশত স্থানীয় জেলে মো. জলিল হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়।

 

কারাগারে যাওয়ার পর পরিবার বিষয়টি নিয়ে খোঁজ নিলে বেরিয়ে আসে আসল সত্য। গ্রেপ্তারকৃত জলিল এবং মামলার প্রকৃত আসামির নাম ও বাবার নাম এক হলেও তাদের মায়ের নাম, গ্রাম ও অন্যান্য পরিচয়ে অমিল রয়েছে। তাছাড়া পরিবারের দাবি, প্রকৃত আসামি বর্তমানে প্রবাসে অবস্থান করছেন।

হয়রানির শিকার জলিলের জামাতা জাহাঙ্গীর আলম ও আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির বাদশা জানান, গ্রেপ্তারের আগে জাতীয় পরিচয়পত্র, মায়ের নাম ও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা সঠিকভাবে যাচাই করলে একজন নির্দোষ মানুষকে এভাবে ২০ দিন কারাভোগ করতে হতো না।

এ বিষয়ে মহিপুর থানার ওসি মো. শামীম হাওলাদার এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) সাজেদুল ইসলাম সজল জানান, আদালতের পরোয়ানায় আসামির মায়ের নাম, ছবি বা মোবাইল নম্বর না থাকায় অনিচ্ছাকৃতভাবে এ ভুলটি হয়েছে। বিষয়টি জানার পরপরই পুলিশের পক্ষ থেকে তার জামিনের সুপারিশ করা হয়। ভবিষ্যতে এ ধরনের ভুল এড়াতে পরোয়ানায় আসামির পূর্ণাঙ্গ তথ্য উল্লেখের জন্য আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।

বিনাদোষে ২০ দিন জেল খাটার এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। পরিচয় নিশ্চিতকরণের ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও সতর্ক হওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost