, , ,
শিরোনাম
জুমার নামাজের সময় পুলিশ লাইনে বিস্ফোরণ, প্রাণ গেলো ১৬ জনের শখ জাগছে, আপনারে জ্যাতা পুড়মু, আপনি কী কন-ব্যবসায়ীকে বিএনপি নেতার হুমকি ময়লা ফেলার ডাস্টবিনই এখন ময়লার ভাগাড় মসজিদ থেকে তুলে নিয়ে ছাত্রলীগ কর্মীকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করার অভিযোগ কাঠালিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে গোডাউনসহ ৮ দোকান পুড়ে ছাই এশিয়া কাপের পর এশিয়ান গেমসেও সেমিতে ভারত-বাংলাদেশ ফ্ল্যাট থেকে নারীসহ ওসি আটক কানের দুল নিয়ে বিরোধে অন্তঃসত্ত্বাকে মারধর, গর্ভের শিশু মৃত্যুর অভিযোগ কাঠালিয়ায় জমি নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ, আদালতের আশ্রয় পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগে দুই ব্যক্তি আটক
কানের দুল নিয়ে বিরোধে অন্তঃসত্ত্বাকে মারধর, গর্ভের শিশু মৃত্যুর অভিযোগ

কানের দুল নিয়ে বিরোধে অন্তঃসত্ত্বাকে মারধর, গর্ভের শিশু মৃত্যুর অভিযোগ

Reporter
প্রতিবেদক : বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ভোলার চরফ্যাশনে স্বর্ণের কানের দুল নিয়ে দুপক্ষের বিরোধের জেরে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারী গুরুতর আহত হয়েছেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার গর্ভের সন্তান মারা গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় দুপক্ষের আরও চারজন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে উপজেলার নজরুল নগর ইউনিয়নের চর নলুয়া গ্রামের আলমগীর বেপারীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, স্বর্ণের দুল নিয়ে পার্শ্ববর্তী এলাকার আবদুল মাঝি ও আলমগীর বেপারীর মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে আবদুল মাঝির স্ত্রী পান্না, ছেলে রাকিব ও হেলালসহ কয়েকজন একত্রিত হয়ে আলমগীর বেপারীর স্ত্রী মাইনুর বেগম, মেয়ে বকুল ও জান্নাতকে লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করেন।

তাদের চিৎকার শুনে আলমগীরের আরেক মেয়ে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা নাছিমা এগিয়ে এলে রাকিব, তার মা পান্না ও হেলাল তাকে পেটে ও পিঠে লাথি, কিল—ঘুসি মারেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে নাছিমা গুরুতর আহত হয়ে অচেতন হয়ে পড়লে হামলাকারীরা সেখান থেকে পালিয়ে যান। নাছিমাকে উদ্ধার করতে ও সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে দুপক্ষের আরও চারজন আহত হন।

পরে আহতদের উদ্ধার করে চরফ্যাশন সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মাকলুকুর রহমানের তত্ত্বাবধানে নাছিমার চিকিৎসা চলছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও গুরুতর ট্রমার কারণে তার গর্ভের সন্তান মারা যায় বলে জানা গেছে।

নাছিমার স্বামী বাচ্চু অভিযোগ করেন, তিনি নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। হামলায় আহত হওয়ার পর নাছিমাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। বাকি চার আহত ব্যক্তি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. মাকলুকুর রহমান বলেন, মারধরের শিকার হওয়ায় নাছিমাকে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়। পরে থ্রেটেড অ্যাবরশন পাওয়ায় তাকে প্রসূতি বিভাগে চিকিৎসাধীন রাখা হয়। অবস্থার উন্নতি না হওয়া এবং আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট দেখে ইনকমপ্লিট অ্যাবরশন হওয়ায় ডাইলেশন অ্যান্ড কিউরেটেজ (ডিএন্ডসি) করানো হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে রাকিব ও আবদুল মাঝির সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তাদের বক্তব্য জানা যায়নি।

দক্ষিণ আইচা থানার ওসি আহসান কবির বলেন, ঘটনা শুনেছি। গর্ভের শিশু মৃত্যুর অভিযোগটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও দুঃখজনক। এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost