মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৮ অপরাহ্ন
বরিশাল সদর উপজেলার শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নে একটি ষাড় গরু জবাইকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নানা গুজবকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে প্যানেল চেয়ারম্যান ফরহাদসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালে ফরহাদ চেয়ারম্যান ও এলাকাবাসী মিলে একটি ষাড় গরু ক্রয় করে আল্লাহর নামে এলাকায় ছেড়ে দেন। দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর পর গরুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে আটহাজার গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তি ও স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা করা হয়।
এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অনুমতি গ্রহণের পর গ্রামের সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতিতে গরুটি জবাই করা হয়। পরে জবাইকৃত গরুর মাংস বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে পরদিনই চরমোনাই বাজার থেকে ৭৫ হাজার টাকায় নতুন একটি ষাড় গরু ক্রয় করা হয় এবং সেটি পুনরায় আল্লাহর নামে ছেড়ে দেওয়া হয়। নতুন গরুটির গায়ে “S+9” চিহ্ন দেওয়া হয়েছে।
অবশিষ্ট অর্থ গ্রামের সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন স্থানীয়রা। অর্থ লেনদেনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বিস্তারিত হিসাবও প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের মতে, পুরো কার্যক্রমটি ছিল স্বচ্ছতা, সামাজিক ঐক্য ও ধর্মীয় অনুভূতির ভিত্তিতে পরিচালিত একটি উদ্যোগ। কিন্তু একটি মহল ইচ্ছাকৃতভাবে তথ্য বিকৃত করে ফরহাদ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালাচ্ছে।
গুজব প্রতিরোধে স্থানীয়রা সবাইকে যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার না করার আহ্বান জানিয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকজনের প্রতিক্রিয়া:
Nunna Sikder:
“চরমোনাই পীরের লোকজন কারসাজির মাধ্যমে এই নিউজটি করিয়াছে, সাথে আমাদের দলের কিছু স্বার্থন্বেষী চামচা জরিত।”
Faysal Arfian Alom:
“আসলে মানুষ যে এতো খারাপ হতে পারে সেটা বুঝতে পারলাম। তার নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আপনাদের কি লাভ বলেন তো? সে তো কারো ক্ষতি করে না আমার জানা মতে।”
Yaseen Khan Sojib:
“বাঙালির একটি পুরনো অভ্যাস গুজবে কান দেওয়া। এখন থেকে সবাইকে বেরিয়ে আসতে হবে।”
Leave a Reply