
টাঙ্গাইলের ১৭ বছরের কিশোর রাকিবুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে প্রায় এক মাস আগে ঢাকায় এসেছিল। রাজধানীর শেওড়াপাড়ার একটি মেসে থাকত সে।
সামাজিক যোগাযোগ পরিচয় এবং পরবর্তীতে বন্ধুত্ব সম্পর্ক আবদুল্লাহ আল মামুন (২৫) তাকে ফোন করে ডেকে নেওয়ার পর সে আর বাসায় ফেরেনি।
পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে, শুক্রাবাদের একটি বাসায় রাকিবুলকে ঠান্ডা মাথায় হত্যা করা হয়। পরে তার মরদেহ একটি কার্টনে ভরে নীলফামারীতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং একটি সুপারি বাগানের ভেতরে মাটিচাপা দেওয়া হয়। এরপর পরিবারকে তার জীবিত থাকার কথা জানিয়ে মুক্তিপণও দাবি করা হয়। ভাবা যায়?
একটু ভাবুন—একটি ১৭ বছরের ছেলে পড়াশোনা করতে এসেছিল।
তার চোখে ছিল ভবিষ্যতের স্বপ্ন, আর তার বাবা—মায়ের চোখে ছিল সন্তানকে নিয়ে হাজারো স্বপ্ন।
কিন্তু সেই সন্তানই যদি টাকার লোভে এভাবে প্রাণ হারায়, তাহলে প্রশ্ন জাগে—প্রযুক্তি আমাদের অনেক কিছু দিচ্ছে কিন্তু এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে অনলাইন জগতে আমরা কার সাথে মিশছি? কাকে বন্ধু করছি? অনলাইন যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে আমাদের শতভাগ সচেতনতার দরকার আছে কি ?
আসলে আমরা কোথায় যাচ্ছি? আমাদের গন্তব্য কোথায়? মানুষ কীভাবে এতটা নিষ্ঠুর হয়ে যায়?
কীভাবে কয়েকটি টাকার জন্য একটি মায়ের বুক খালি করে দিতে পারে?
কীভাবে একজন বাবার সারাজীবনের স্বপ্নকে মুহূর্তে শেষ করে দিতে পারে? একটি মানুষ মুহূর্তের মধ্যে বন্ধুকে টাকার জন্য খু/ন করে ফেলতে পারে!
আমরা তো মুসলমান। আমরা বিশ্বাস করি—এই জীবনই শেষ নয়। একদিন সবাইকে ফিরে যেতে হবে মহান আল্লাহর দরবারে। সেদিন টাকা, ক্ষমতা, পরিচয়—কিছুই কাজে আসবে না; জবাব দিতে হবে আমাদের কর্মের।
দুনিয়ার এই অল্প কয়েক দিনের জীবনে কেন এত লোভ