
সাপ্তাহিক দুইদিনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে রবিবারের শ্যামা পূজার ছুটি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টানা তিনদিনের ছুটিকে কেন্দ্র করে সূর্যদয় ও সূর্যাস্তের বেলাভূমি পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে এসেছেন হাজারো পর্যটক। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি সমুদ্রের নোনা জলে গা ভাসিয়ে আনন্দে মেতেছেন তারা। অনেকে আবার ঘুরে দেখচ্ছেন বিভিন্ন স্পট।
বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই দেশের অন্যতম এই পর্যটন কেন্দ্রে আসতে শুরু করেন পর্যটকরা।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, সৈকতের জিরো পয়েন্টে হৈ—হুল্লোড় করছেন পর্যটকরা। তাদের অনেকেই সমুদ্রের ছোট বড় ঢেউয়ের সঙ্গে মিতালীতে মেতেছেন। অনেকে বালু সৈকতের বালুতে নিজেদের ইচ্ছামতো নানা ধরনের জিনিস তৈরি করছিলেন। বেঞ্চিতে বসে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেখা যায় কয়েকজনকে।
শুধু জিরো পয়েন্টই নয়, দীর্ঘ ২২ কিলোমিটার সৈকতের লেম্বুরবন ও চর গঙ্গামতিসহ প্রতিটি পর্যটন স্পটেই রয়েছে পর্যটকদের আনাগোনা। বুকিং রয়েছে আধিকাংশ হোটেলের কক্ষ।
ঢাকার মিরপুর থেকে আসা পর্যটক রফিক ও রাসেল হোসেন জানান, সৈকতে গরমও বেশি নেই, আবার তেমন শীতও লাগছে না। এ আবহাওয়ায় সৈকতের বুকে ছোট ছোট ঢেউ আঁছড়ে পড়ছে। বন্ধুরা মিলে সমুদ্রে সাঁতার কাটার অনুভূতি তাদের কাছে দারুন লেগেছে।
নড়াইল থেকে আসা ফরিদ—সোনিয়া দম্পতি জানান, আগামী রবিবার সন্তানের স্কুল বন্ধ রয়েছে। তাই ছুটিতে সন্তানদের নিয়ে কুয়াকাটা এসেছেন। দুইদিন থেকে সব পর্যটন স্পট ঘুরে দেখে ফিরে যাবেন।
কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর নাজমুল হাসান বলেন, “পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য আমরা প্রতিটি পর্যটন স্পটে ট্যুরিস্ট পুলিশ সদস্যদের মোতায়েন করেছি। পাশাপশি আমাদের টহল টিমও কাজ করছে। আশা করছি, পর্যটকরা নিরাপদে তাদের ভ্রমণ উপভোগ করতে পারবেন।”