শনিবার, ১৮ Jul ২০২৬, ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
ঝালকাঠি শহরে গৃহবধূর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, হত্যার আশঙ্কা শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড বাপ্পি গ্রেপ্তার বরিশালে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে স্কুল শিক্ষার্থী: বাড়িতে তালা ঝুলিয়ে লাপাপ্তা পরিবার ফেসবুকে ‘বাঁচান’ স্ট্যাটাসের ২৪ ঘণ্টায়ও মেলেনি চিকিৎসকের খোঁজ টাকার জন্য স্ত্রীকে নির্যাতনের পর মহাসড়কে ফেলে যান বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক অসম্পূর্ণ সংযোগ সড়ক: মেহেন্দিগঞ্জ—হিজলা সেতুর সুফল থেকে বঞ্চিত হাজারো মানুষ মাউলতলা ইসলামিয়া মাদ্রাসার গভর্নিং বডি গঠন, সভাপতি দেওয়ান মোঃমুনির হোসেন, সদস্য মেহেদী হাসান কাজিরহাট গন চুরির হিড়িক: প্রশাসনের নীরবতায় চরম আতঙ্কে এলাকাবাসী উজিরপুরে ইয়াবা বিক্রির সময় পুলিশের জালে মাদক কারবারি আটক হিজলা উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দিলু প্যাদার ৩৮তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
মহিপুর ভূমি অফিসে নামজারি ঘিরে দালালচক্রের দৌরাত্ম্য, অতিরিক্ত অর্থ না দিলে ঝুলে থাকে আবেদন

মহিপুর ভূমি অফিসে নামজারি ঘিরে দালালচক্রের দৌরাত্ম্য, অতিরিক্ত অর্থ না দিলে ঝুলে থাকে আবেদন

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নামজারি (মিউটেশন) নিয়ে সাধারণ সেবাগ্রহীতারা চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে নামজারি নিষ্পত্তির কথা থাকলেও, স্থানীয়দের দাবি—নির্ধারিত ফির বাইরে সর্বনিম্ন ৮ থেকে ১৫ হাজার টাকা অতিরিক্ত অর্থ না দিলে আবেদন ফাইল আটকে রাখা বা নানা অজুহাতে বাতিল করে দেওয়া হচ্ছে।

​অনুসন্ধানে জানা গেছে, মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের দুই তহশিলদার মোহাম্মদ আসিফ নূর ও তাফিমুল ইসলামকে কেন্দ্র করে একটি প্রভাবশালী দালাল সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। এই চক্রে অফিসের চুক্তিভিত্তিক নৈশপ্রহরী জাকির, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মনিরুজ্জামান, অফিস সহায়ক জুবায়ের হোসেন ও মাসুদ রানাসহ বেশ কয়েকজন বহিরাগত সার্ভেয়ার ও দলিল লেখক সম্পৃক্ত রয়েছেন। সম্প্রতি ঢাকা থেকে আবেদন করা তিন সেবাগ্রহীতার আবেদন কোনো নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই ২৮ দিন পর অনলাইনে ‘না-মঞ্জুর’ দেখানোর পর স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, অতিরিক্ত টাকা না দেওয়ায় তাদের আবেদন বাতিল করা হয়েছে।

​অভিযোগ রয়েছে, তহশিলদার মোহাম্মদ আসিফ নূরকে নিয়মবহির্ভূত তদবিরের মাধ্যমে বরিশাল অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মো. আহসান হাবিবের পছন্দে মির্জাগঞ্জ থেকে মহিপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকায় বদলি করা হয়েছিল। যদিও অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. আহসান হাবিব এবং তহশিলদার আসিফ নূর উভয়ই এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

​সার্বিক বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসীন সাদেক জানান, দালালচক্রের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে ৩টি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে এবং সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে অবশ্যই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয় সচেতন মহল ও ভুক্তভোগীরা এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ ও উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost