শনিবার, ১৮ Jul ২০২৬, ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
ঝালকাঠি শহরে গৃহবধূর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, হত্যার আশঙ্কা শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড বাপ্পি গ্রেপ্তার বরিশালে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে স্কুল শিক্ষার্থী: বাড়িতে তালা ঝুলিয়ে লাপাপ্তা পরিবার ফেসবুকে ‘বাঁচান’ স্ট্যাটাসের ২৪ ঘণ্টায়ও মেলেনি চিকিৎসকের খোঁজ টাকার জন্য স্ত্রীকে নির্যাতনের পর মহাসড়কে ফেলে যান বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক অসম্পূর্ণ সংযোগ সড়ক: মেহেন্দিগঞ্জ—হিজলা সেতুর সুফল থেকে বঞ্চিত হাজারো মানুষ মাউলতলা ইসলামিয়া মাদ্রাসার গভর্নিং বডি গঠন, সভাপতি দেওয়ান মোঃমুনির হোসেন, সদস্য মেহেদী হাসান কাজিরহাট গন চুরির হিড়িক: প্রশাসনের নীরবতায় চরম আতঙ্কে এলাকাবাসী উজিরপুরে ইয়াবা বিক্রির সময় পুলিশের জালে মাদক কারবারি আটক হিজলা উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দিলু প্যাদার ৩৮তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
কাজিরহাট গন চুরির হিড়িক: প্রশাসনের নীরবতায় চরম আতঙ্কে এলাকাবাসী

কাজিরহাট গন চুরির হিড়িক: প্রশাসনের নীরবতায় চরম আতঙ্কে এলাকাবাসী

 

​বরিশাল জেলার কাজিরহাট থানার অন্তর্গত আন্দারমানিক ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের ভংগা গ্রামে ফের দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) দিবাগত রাত ৩টার দিকে মো. তোফাজ্জেল হোসেন হাওলাদারের বসতঘরে এই চুরির ঘটনা ঘটে। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় একের পর এক এমন ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

​ভুক্তভোগী তোফাজ্জেল হোসেন জানান, গভীর রাতে চোরেরা ঘরের চালের টিন খুলে কৌশলে ভেতরে প্রবেশ করে। তারা আলমারি ভেঙে ১০ ভরি ওজনের স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ ৪০,০০০ (চল্লিশ হাজার) টাকা লুট করে নিয়ে যায়। তিনি চোরদের উপস্থিতি টের পেয়ে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে, কিন্তু তার আগেই চোরেরা মালামাল নিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

অন্যদিকে লতা ইউনিয়নে চর,সন্তোষপুর গ্রামে গতরাতেই ৩টি,বসত ঘরে, কেটে চুরির ঘটনা ঘটে।শাহাবুদ্দিন সাকুর ঘরে ৪০ হাজার টাকা স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।

অপরদিকে জমজম হাওলাদার এর ছেলে চুন্নু হাওলাদারের ঘরে নগদ এক লক্ষ টাকা সহ স্বর্ণ অলংকার নিয়ে যায়। ভুক্তভোগী একই গ্রামের হারুন মোল্লা জানান আমার ঘরেও চুরির ঘটনা ঘটেছে স্বর্ণালংকার সহ অনেক মালামাল নিয়ে যায়। অভিযোগ, কাজিরহাট থানা পুলিশ নিয়মিত মেইন সড়কে টহল দিলেও গ্রামের অভ্যন্তরীণ রাস্তাগুলোতে তাদের উপস্থিতি নেই বললেই চলে।

প্রশাসনের এই উদাসীনতাকে পুঁজি করেই চোরেরা বারবার এমন দুর্ধর্ষ চুরির সাহস পাচ্ছে। স্থানীয় এক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা এখন রাতে ঘুমাতে ভয় পাই। মেইন রাস্তায় পুলিশ থাকলেও গ্রামের ভেতরের রাস্তাগুলোতে কোনো টহল নেই। পুলিশি টহল শুধু লোক দেখানো, যা অপরাধ দমনে ব্যর্থ হচ্ছে।”​ভুক্তভোগী পরিবার কাজিরহাট থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে সামগ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে বেশ কিছু জোরালো দাবি তোলা হয়েছে: পুলিশি টহল শুধু মেইন রাস্তায় সীমাবদ্ধ না রেখে গ্রামের অভ্যন্তরীণ রাস্তাগুলোতে নিয়মিত টহলের ব্যবস্থা করা।

চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারে দ্রুত পুলিশি তৎপরতা বাড়ানো এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনা। রাতের বেলা এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্রাম পুলিশ বা স্থানীয় পর্যায়ে স্বেচ্ছাসেবক দল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, এলাকাটিকে নিরাপদ রাখতে প্রশাসনের কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এখন সময়ের দাবি। দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করা না গেলে বড় ধরনের অঘটন ঘটার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

এ বিষয় কাজিরহাট থানা ভারপ্রাপ্ত ওসি তদন্ত দীপঙ্করের সাথে আলাপ করলে সে জানায় ঘটনা সংবাদ পেয়েছি, তবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি, এলাকার সাধারণ মানুষের ভিতরে আতঙ্ক বিরাজ করছে। দিন দিন এভাবে চুরির ঘটনা বেড়েই চলছে। নিরাপত্তাহীন ভুগছে। কাজিরহাট এলাকাবাসী

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost