, , ,
শিরোনাম
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে যৌতুকের দাবিতে মামলা বিসিসির উপসহকারী প্রকৌশলী কারাগারে হাতের ভেতরে কাঁচের টুকরা রেখেই সেলাই, চিকিৎসক বললেন ‘স্যরি’ অনলাইন ইলিশ বিক্রির নামে প্রতারণা, ল্যাপটপ-কম্পিউটারসহ গ্রেফতার ২ ক্ষুব্ধ ভোটারের কড়া জবাব: যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্প যুগের অবসানের সূচনা ৮ পিস্তলের ভিডিও ছড়িয়ে যুবকের হুমকি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অতিরিক্ত বল প্রয়োগ না করার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ডিবি হেফাজতে ইকবাল সোবহান চৌধুরী, চলছে জিজ্ঞাসাবাদ মুলাদীতে ভবনের ছাদ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু মেহেন্দিগঞ্জে চার দিন পর নিখোঁজ তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার নলছিটিতে দুমাউসের উদ্যোগে হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে গাভী বিতরণ
অ্যাসাইনমেন্টে শিক্ষকের নাম ভুল লেখায় ৩০০ বার লিখিয়ে শাস্তি

অ্যাসাইনমেন্টে শিক্ষকের নাম ভুল লেখায় ৩০০ বার লিখিয়ে শাস্তি

Reporter
প্রতিবেদক : অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত : শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬

অ্যাসাইনমেন্টে শিক্ষকের নামের বানানে একটি অতিরিক্ত অক্ষর লেখার কারণে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) এক শিক্ষার্থীকে ৩০০ বার সঠিক বানান লিখে জমা দিতে বলার অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে আলোচনা—সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই এ ধরনের শাস্তিকে অযৌক্তিক উল্লেখ করে একে ‘একাডেমিক র‌্যাগিং’ বলে মন্তব্য করেছেন।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সাইদুল ইসলাম সাঈদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী।

অভিযোগ অনুযায়ী, বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মরিয়ম হাসনার দেওয়া অ্যাসাইনমেন্টের কভার পৃষ্ঠায় শিক্ষকের নামের বানান ভুল হওয়ায় তাকে শাস্তি হিসেবে সঠিক বানান ৩০০ বার লিখে পুনরায় অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে বলা হয়।

জানা গেছে, অ্যাসাইনমেন্টে শিক্ষকের নাম ‘গড়ৎরঁস’–এর পরিবর্তে ভুলবশত ‘গড়ৎরড়ঁস’ লেখা হয়েছিল। একটি অতিরিক্ত অক্ষরের এ ভুলের কারণে শিক্ষার্থীকে ৩০০ বার সঠিক বানান লিখতে হয়।

পরে সাইদুল ইসলাম সাঈদ নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ৩০০ বার শিক্ষকের নাম লেখা কাগজের ছবি প্রকাশ করেন। পোস্টে তিনি লেখেন, ‘গত রাতটি আমার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের অন্যতম স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে। একটি শব্দের বানানে মাত্র একটি অতিরিক্ত অক্ষর লেখার কারণে আমাকে পুরো লেখাটি ৩০০ বার সংশোধন করতে হয়েছে।’

পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী রেদোয়ান সরকার ফেসবুকে লেখেন, ‘কত অযাচিত অ্যাসাইনমেন্ট করেছি, তার হিসাব নেই। ক্রিয়েটিভিটির নামে দেখে দেখে অ্যাসাইনমেন্ট আর এ ধরনের র‌্যাগিংই হয় এখানে। শিক্ষক কর্তৃক নানা ধরনের র‌্যাগিংয়ের মুখোমুখি হওয়া এই বিভাগে খুবই মামুলি বিষয়।’

তবে ইসরাত জাহান নামের এক শিক্ষার্থী মন্তব্যে লেখেন, ‘তৃতীয় বর্ষে পড়ে একজন শিক্ষকের নাম ভুল করেন, আবার সেটি নিয়ে পোস্টও করেন! ন্যূনতম বিবেকবোধ থাকা উচিত।’

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সহকারী অধ্যাপক মরিয়ম হাসনার ব্যক্তিগত মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost