
মুলাদীর রামারপোল এ,এম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়োগ বাণিজ্য, ফরম পূরণের টাকা আত্মসাৎ সহ সীমাহীন দুর্নীতি অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে।
মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও মুলাদী উপজেলা নিবাহী কমকর্তার কাছে একই বিদ্যালয়ের শিক্ষক, জমি দাতা সহ স্থানীয় অভিভাবক মহলের অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে সূত্রে জানা গেছে, অবৈধ ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে ও অবৈধ ভাবে নিয়োগ পাওয়ার পর বিদ্যালয়ে যোগদান করার সাথে সাথে বিজ্ঞান ভবনের মেরামতের কাজ আসলে ঠিকাদারের যোগসাজশে অর্থ আত্মসাৎ করেন। এ,এম উচ্চ বিদ্যালয়ের চারতলা ভবন নির্মাণের কাজে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে করা হলে সেখানে ঠিকাদারের সাথে আঁতাত করে ছাড় পত্র দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ ও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। বিদ্যালয়ের পরনো রড,টিন সেট ঘর,ও গাছ মনগড়া ভাবে নিলামে বিক্রি করে সেখান থেকেও অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন, ম্যানেজিং কমিটির ৪জন সদস্য কে অবহিত না করে অনিয়মের মাধ্যমে ল্যাব শিক্ষক নিয়োগ করায় তারা পদত্যাগ করেছিলো।
এ এম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম টিউশন ফি,পরীক্ষা ফি,ব্যবহারিক,প্রবেশপত্র প্রশংসা পত্র রেজিস্ট্রেশন ফি ও কেন্দ্র ফি সহ এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরনে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করার বিস্তর
অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। শিক্ষকদের মানুষ গড়ার কারিগর হওয়ার কথা থাকলে ও এই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমন কোন অনিয়ম কিংবা অব্যবস্থাপনা নেই য়া তিনি করেননি!
প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলামের এসব দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় এর আগে দু,জন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তার এমপিও স্থাপিত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
তার এসব দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে স্থানীয় মৃত সামসুদ্দিন মৃধার সন্তান মোঃ নুরুজ্জামান মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে এই প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম এর কাছে জানতে চাইলে তিনি দুর্নীতি ও অনিয়মের বিষয় অস্বীকার করেন।
অভিযোগের বিষয়ে মুলাদী উপজেলা নিবাহী কমকর্তা গোলাম সরওয়ার এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।