, , ,
শিরোনাম
প্রকৃত আসামি প্রবাসে, নামে মিল থাকায় ২০ দিন কারাভোগ করলেন জলিল ভূমি সেবায় আস্থা ফেরানো এসিল্যান্ড মহেশ্বর মন্ডলের বদলি, হতাশ উজিরপুরবাসী সরকার ছয় মাসের মধ্যেই লাইনচ্যুত হয়ে গেছে: সারজিস আলম নেছারাবাদে সমবায় সমিতির নামে শত কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, সাজাপ্রাপ্ত বিশ্বজিৎ গ্রেপ্তার কুয়াকাটায় ২০ দোকানে তালা: জমি বিরোধের আড়ালে দখলের লড়াই, প্রশ্নের মুখে রাজনৈতিক প্রভাব অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা হচ্ছে, থাকবে কিউআর কোড ও রুট নির্ধারণ পিরোজপুরে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় ৭ বছরের কারাদণ্ড এআই দিয়ে ভুয়া র‍্যাব কর্মকর্তা সেজে কিশোরীকে ‘ধর্ষণ’, যুবক গ্রেফতার সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজে ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেমিনার অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে অস্ত্র, গুলি ও গাঁজাসহ একাধিক মামলার আসামি গ্রেফতার
সড়কের পাশে ফেলে রাখা ব্যাগে কান্নার শব্দ, উদ্ধার সদ্যোজাত কন্যাশিশু

সড়কের পাশে ফেলে রাখা ব্যাগে কান্নার শব্দ, উদ্ধার সদ্যোজাত কন্যাশিশু

Reporter
প্রতিবেদক : অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬

বরগুনার বামনা উপজেলার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সামনে সড়কের পাশ থেকে কান্নার শব্দ শুনে বাজারের ব্যাগে ভরে ফেলে রাখা এক সদ্যোজাত কন্যাশিশুকে উদ্ধার করেছেন স্থানীয়রা।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে শিশুটিকে উদ্ধার করে তাৎক্ষণিক বামনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। বর্তমানে শিশুটি ফায়ার সার্ভিসের সামনে চা—বিক্রেতা তারিক হোসেনের বোনের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।

জানা গেছে, বামনা ফায়ার সার্ভিসের সামনে বাবুল মিয়া নামে এক ব্যক্তি প্রথমে শিশুটির কান্নার শব্দ শুনতে পান। পরে তিনি বিষয়টি ফায়ার ফাইটার কামরুজ্জামানকে জানান। কামরুজ্জামান ও চা—বিক্রেতা তারিক হোসেন শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে শিশুটির পরিচর্যার জন্য তারিক হোসেন তাকে নিজের জিম্মায় নেন। বর্তমানে শিশুটি তার বোনের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।

ফায়ার ফাইটার কামরুজ্জামান বলেন, শিশুটির কান্নার শব্দ শুনে তিনি, বাবুল, তারিকসহ স্থানীয়রা পরিত্যক্ত ব্যাগটি উদ্ধার করেন। পরে ব্যাগ খুলে সদ্যোজাত কন্যাশিশুটিকে দেখতে পান। এরপর তিনি ও তারিক শিশুটিকে বামনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তারিক হোসেন নিজের জিম্মায় বাড়িতে নিয়ে যান।

কামরুজ্জামান আরও জানান, শিশুটিকে উদ্ধারের সময় বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) গাড়ি ওই সড়ক দিয়ে যাচ্ছিল। তাঁরা গাড়িটি থামিয়ে ওসিকে বিষয়টি জানান। ওসি তাঁদের শিশুটিকে হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন।

শিশুটিকে নিজের জিম্মায় নেওয়া তারিক হোসেন বলেন, ‘আমি শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করিয়েছি। ওর জন্য দুধ কিনে খাওয়াচ্ছি। বর্তমানে আমার বোনের তত্ত্বাবধানে শিশুটিকে সুস্থ করে তোলার চেষ্টা করছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘শিশুটিকে অনেকেই নিতে চাচ্ছেন। কিন্তু আমি শিশুটিকে কারও কাছে দেব না। আমার বোনের পরিচয়ে শিশুটি বড় হবে।’

বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন খান বলেন, ‘আমি আজ খুবই ব্যস্ত ছিলাম। একবার শিশু উদ্ধারের বিষয়ে শুনেছি। তবে এখনো বিস্তারিত খোঁজখবর নিতে পারিনি। খোঁজ নিয়ে বিস্তারিত জানাব।’

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost