সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০৬:২৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম
কাউখালীতে ‘ভুল সেট কোডে’ এসএসসির ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং পরীক্ষা গ্রহন আমরা দালাল নই, শিক্ষিত পেশাজীবী মর্যাদা রক্ষার মঠবাড়িয়ায় দাবিতে মানববন্ধন কাউখালীতে কোরবানির পশুর ব্যাপক প্রস্তুতি: লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে উদ্বৃত্তের সম্ভাবনা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছে শাটডাউন, প্রতি কক্ষে শিক্ষকদের তালা পবিপ্রবিতে ভিসি অপসারণ দাবির কর্মসূচিতে হামলা, আহত অন্তত ১০ হঠাৎ হাসপাতাল পরিদর্শনে বরিশালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, কর্মচারীকে বরখাস্তের নির্দেশ গলাচিপা মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের পেশাগত মর্যাদা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন ওসমান হাদি হত্যার বিচার না হওয়া মানে জুলাই হেরে যাওয়া: বোন মাসুমা হাদি গৌরনদীতে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে কলেজছাত্রসহ দগ্ধ ২ বাবা হারানোর দিনে রিয়ালকে হারিয়ে শিরোপা জয় ফ্লিকের
কাজিরহাটে অবৈধ রেণু ব্যবসার রমরমা, প্রশাসনের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন

কাজিরহাটে অবৈধ রেণু ব্যবসার রমরমা, প্রশাসনের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন

বরিশালের কাজিরহাট থানাধীন বিদ্যানন্দপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে দিন দিন বেড়েই চলছে অবৈধ চিংড়ি মাছের রেণু ব্যবসা। বিশেষ করে ইটের ভাটা সংলগ্ন এলাকায় নাসির মোল্লা খোকনের নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট এই ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘ দিন ধরে এই কর্মকাণ্ড চললেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।

​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যানন্দপুর ইউনিয়নের আনন্দপুর (৯নং ওয়ার্ড) এলাকায় ইটের ভাটার পাশেই গড়ে তোলা হয়েছে চিংড়ি রেণুর বিশাল ও মজুদ কেন্দ্র। নাসির মোল্লা খোকনের সরাসরি তত্ত্বাবধানে প্রতিদিন এখান থেকে লাখ লাখ পিস রেণু দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাচার হচ্ছে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রাকৃতিক উৎস থেকে আহরিত এই রেণু কেনাবেচা চললেও দেখার যেন কেউ নেই।


​প্রাকৃতিক নদী থেকে অবৈধভাবে জাল টেনে রেণু সংগ্রহের ফলে অন্যান্য প্রজাতির মাছের পোনা ও জলজ জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে। ইটের ভাটা সংলগ্ন এলাকা হওয়ায় এই চক্রটি লোকচক্ষুর আড়ালে অনেকটা নিরাপদেই তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান:​”এখানে দিনরাত রেণু কেনাবেচা চলে। নাসির মোল্লা খোকনের নেতৃত্বে একদল লোক এই পুরো ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে। প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। আমরা চাই দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এই অবৈধ ব্যবসা বন্ধ হোক।”

​চিংড়ি রেণু ধরা, পরিবহন ও বিক্রি আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হলেও কাজিরহাট থানা এলাকার এই পয়েন্টটিতে কেন অভিযান চালানো হচ্ছে না, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। মৎস্য বিভাগ ও স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নীরব ভূমিকা এই অবৈধ ব্যবসাকে আরও উৎসাহিত করছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।,

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost