, , ,
শিরোনাম
বিএম কলেজের সড়ক নির্মাণকাজ বন্ধ, ঠিকাদারকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ সাবেক ছাত্রদল নেতা হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে মহানবী (সা.)-কে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তি, যুবক পুলিশ হেফাজতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে নার্স ভান্ডারিয়ায় মৎস্য অভিযানে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, ১৫ দিনের কারাদণ্ড চরকাউয়ায় সুদ ও তাবিজ বিতর্কে মসজিদের ইমাম: পরিবর্তনের দাবি বরিশালের এক বিএনপি নেতাকে আজীবন বহিষ্কার. ভান্ডারিয়ায় সরকারি গাছ কাটা মামলায় প্রধান আসামি গ্রেফতার বড়জালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে জাকির হোসেন হাওলাদারের গণসংযোগ বিসিসি ৪, ৫ ও ৬নং ওয়ার্ডকে নিরাপদ, মাদকমুক্ত ও আধুনিক মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে চান কাউন্সিলর প্রার্থী জান্নাতুল ফেরদৌসী জিতু হাসপাতালে ঢুকে স্বেচ্ছাসেবকদল নেতাকে পেটালেন ছাত্রদল নেতা
কাজিরহাটে অবৈধ রেণু ব্যবসার রমরমা, প্রশাসনের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন

কাজিরহাটে অবৈধ রেণু ব্যবসার রমরমা, প্রশাসনের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন

Reporter
প্রতিবেদক : বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

বরিশালের কাজিরহাট থানাধীন বিদ্যানন্দপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে দিন দিন বেড়েই চলছে অবৈধ চিংড়ি মাছের রেণু ব্যবসা। বিশেষ করে ইটের ভাটা সংলগ্ন এলাকায় নাসির মোল্লা খোকনের নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট এই ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘ দিন ধরে এই কর্মকাণ্ড চললেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।

​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যানন্দপুর ইউনিয়নের আনন্দপুর (৯নং ওয়ার্ড) এলাকায় ইটের ভাটার পাশেই গড়ে তোলা হয়েছে চিংড়ি রেণুর বিশাল ও মজুদ কেন্দ্র। নাসির মোল্লা খোকনের সরাসরি তত্ত্বাবধানে প্রতিদিন এখান থেকে লাখ লাখ পিস রেণু দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাচার হচ্ছে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রাকৃতিক উৎস থেকে আহরিত এই রেণু কেনাবেচা চললেও দেখার যেন কেউ নেই।

​
​প্রাকৃতিক নদী থেকে অবৈধভাবে জাল টেনে রেণু সংগ্রহের ফলে অন্যান্য প্রজাতির মাছের পোনা ও জলজ জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে। ইটের ভাটা সংলগ্ন এলাকা হওয়ায় এই চক্রটি লোকচক্ষুর আড়ালে অনেকটা নিরাপদেই তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান:​”এখানে দিনরাত রেণু কেনাবেচা চলে। নাসির মোল্লা খোকনের নেতৃত্বে একদল লোক এই পুরো ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে। প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। আমরা চাই দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এই অবৈধ ব্যবসা বন্ধ হোক।”

​চিংড়ি রেণু ধরা, পরিবহন ও বিক্রি আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হলেও কাজিরহাট থানা এলাকার এই পয়েন্টটিতে কেন অভিযান চালানো হচ্ছে না, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। মৎস্য বিভাগ ও স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নীরব ভূমিকা এই অবৈধ ব্যবসাকে আরও উৎসাহিত করছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।,

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost