, , ,
শিরোনাম
বিশ্ব নবীকে নিয়ে কটুক্তি, যুবককে জুতার মালা পড়িয়ে ঘুরিয়েছে জনতা চাকরি ফিরে পেলেন ‘টিপকাণ্ডে’ বরখাস্ত সেই পুলিশ কনস্টেবল নাজমুল মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে পাতারহাট মুসলিম মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের দল ঢালাইয়ের পরই ধসে পড়ল নির্মাণাধীন সেতুর পাটাতন, প্রশ্নের মুখে কাজের মান কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থা জোরদারকরণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত মঠবাড়িয়ায় জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ের সামনে আগুন ও নেতাদের হত্যার হুমকি কৃষি প্রণোদনা বিতরণ অনুষ্ঠানে এমপি সরওয়ারের ৬ ঘণ্টা বিলম্ব, ক্ষুব্ধ কৃষকরা কে সাংবাদিক আর কে সাংবাদিক নয়, তা নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী ভোলায় স্বপন বাহিনীর প্রধান অস্ত্রসহ আটক ঝালকাঠিতে অভিযানে আড়াই লাখ টাকার অবৈধ জাল জব্দ, আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট
গোপালগঞ্জে নারী আইনজীবীর মাথা ফাটালেন বিচারক

গোপালগঞ্জে নারী আইনজীবীর মাথা ফাটালেন বিচারক

Reporter
প্রতিবেদক : বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত : বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬

গোপালগঞ্জে আদালত চলাকালে বিচারকের ছুড়ে মারা পেপারওয়েটের আঘাতে মাথা ফেটে আহত হয়েছেন সাবিহা সুলতানা নামে এক শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবী। বিচারকের এমন অপ্রত্যাশিত কাণ্ডে আইনজীবীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে আদালত চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ওই বিচারক হলেন গোপালগঞ্জ চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত—২—এর বিচারক মো. সুজন মিয়া।

জানা গেছে, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গোপালগঞ্জ আদালত—২—এর বিচারক মো. সুজন মিয়ার আদালত চলাকালে কক্ষের পেছনের দিকে বিচারপ্রত্যাশীরা আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলছিলেন। এ সময় কথা বলতে দেখে বিচারক মো. সুজন মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে একটি একটি কাঁচের পেপারওয়েট ছুড়ে মারেন। এতে শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবী সাবিহা সুলতানার মাথায় লেগে মাথা ফেটে গেলে মারাত্মক আহত হন। পরে তাকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে, এ ঘটনায় আইনজীবীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে তদন্ত ও বিচার দাবি জানান তারা।

আহত শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবী সাবিহা সুলতানা জানান, একজন বিচারক এমন কাজ করতে পারেন না। আমি এই ঘটনার বিচার দাবি করছি।

এ ব্যাপারে জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জুলকদর রহমান তীব্র ক্ষোভ ও বিচারকের এমন ব্যবহার অনাকাঙ্ক্ষিত হিসাবে উল্লেখ করেন।

জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও জিপি অ্যাডভোকেট এম এ আলম সেলিম ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়ে বলেন, একজন বিচারক এমন কাজ করতে পারেন না। এ ঘটনার তদন্ত করে বিচারকের শাস্তির দাবি জানাই।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত বিচারক মো. সুজন মিয়ার বক্তব্য নিতে তার ব্যবহারিত মোবাইল ফোনে ও হোয়ার্টস অ্যাপে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost