, , ,
শিরোনাম
মুলাদীতে ইয়াবাসহ নারী গ্রেপ্তার ভাণ্ডারিয়ায় নাম্বারপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে অভিযান, ৩২ হাজার টাকা জরিমানা উজিরপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বাবা,মা ও ছেলেকে কুপিয়ে জখম, মামলা দায়ের পাবনায় ধর্ষণের পর শিশুকে হত্যা, ঘাতকের বাড়ি ভাঙলো জনতা বরিশাল জেলা আদালতে পুলিশ হেফাজত থেকে আসামি পলায়ন চাঁদা না পেয়ে দোকানে তালা দেওয়ার অভিযোগ যুবদল কর্মীর বিরুদ্ধে তেজগাঁও কলেজের মসজিদে বৈঠক, নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্য সন্দেহে আটক ২৩ ববি”তে নদীর তীরে ডেকে ‘র‍্যাগিং’, হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থী পরকীয়ার মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা কারাগারে রাতের আধাঁরে গৃহবধুকে ধর্ষনের ঘটনায় একজন গ্রেপ্তার
হোটেলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্ত শিক্ষক বরখাস্ত
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

হোটেলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্ত শিক্ষক বরখাস্ত

Reporter
প্রতিবেদক : অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট, ২০২৬

হোটেলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার মামলার আসামি হিসেবে কারাভোগের ঘটনায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. শফিকুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে তিনি শিক্ষা ছুটিতে আছেন।

সোমবার (৩ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম বাছির স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়, মো. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানায় দায়ের হওয়া একটি ফৌজদারি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। ওই মামলায় গ্রেফতার হয়ে তিনি জেলহাজতে ছিলেন।

এই প্রেক্ষাপটে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮—এর ধারা ৩৯(২) এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আইনের ধারা ৪৪(৬) অনুযায়ী তাকে ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সাময়িক বরখাস্তকালীন তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ঢাকায় এক নারীর সঙ্গে শফিকুল ইসলামের সম্পর্ক ছিল এবং পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ের কথাও ঠিক হয়েছিল। পরবর্তীতে তিনি ওই নারীকে মোহাম্মদপুরে নিজের বাসায় ডেকে নিয়ে মারধর করেন এবং পরে কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। পুলিশের দাখিল করা এজাহারে মামলার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ রয়েছে।

ড. আব্দুল আলিম বাছির বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি বিধান অনুযায়ী যা হবার তাই হবে। এটা ফৌজদারি মামলা, পুলিশ দেখবে। এটা বিশ্ববিদ্যালয় দেখবে না। বিশ্ববিদ্যালয় যেটা দেখতে পারে সেটা হলো, চাকরির শৃঙ্খলার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ কিনা। সেজন্য তাকে আইন অনুযায়ী আদেশ দেওয়া হয়েছে।

তবে অভিযোগকারী নারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে মামলা চলমান বিধায় এ বিষয়ে তিনি কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost