সোমবার, ০৬ Jul ২০২৬, ০১:২৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
পুলিশের শীর্ষ ৩৩ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর প্রাণহানি, একদিনে আক্রান্ত ১০৩১ অণ্ডকোষ চেপে ধরে চেকে স্বাক্ষর: অবশেষে মুখ খুললেন আব্দুল আজিজ হালান্ডকে আটকাতে ব্রাজিলের পরিকল্পনা কী, নেইমার কি খেলবেন মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখব”: অসহায় মায়ের পাশে দাঁড়িয়ে কাউন্সিলর প্রার্থী জিতু বরিশালের নতুন পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্ যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত গ্রেপ্তার বরিশালের জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগ দিলেন মামুন খন্দকার অপরাধ প্রমাণে দল হিসেবে নিষিদ্ধ হতে পারে আ.লীগ: চিফ প্রসিকিউটর তালতলীতে বনবিভাগের মামলায় ৫জনের কারাদণ্ড
হস্তান্তরের আগেই সেতুর পার্শ্বদেয়ালে ধস

হস্তান্তরের আগেই সেতুর পার্শ্বদেয়ালে ধস

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে এক কোটি ১৬ লাখ ৪৮ হাজার ৭৯ টাকার কাজটির দায়িত্ব পায় পটুয়াখালীর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান লুকাইয়া ট্রেডার্স, হাজির হাট।

কাজটি শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে না পারায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত সময় বাড়ায় সংশ্লিষ্ট দপ্তর।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শুরু থেকেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি সিডিউল না মেনে দায়সারাভাবে কাজ করতে থাকে।নির্মাণ কাজে অত্যন্ত নিম্নমানের ইট, বালু ও খোয়া ব্যবহার করা হয়। শুধু তাই নয়, সেতুর তলদেশের বিম সমতল না করে উঁচু—নিচু রাখা হয় এবং সঠিক সেন্টারিং না করার কারণে গ্রেড বিম বাঁকা হয়ে যায়।

কাজ চলাকালে এসব অনিয়মের প্রতিবাদ করা হলেও ঠিকাদারের লোকজন তাতে গুরুত্ব দেননি। উল্টো দীর্ঘদিন ধরে কাজ ফেলে রেখে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা হয়।

সরেজমিন ঘটনাস্থলে দেখা যায়, নুরাইনপুর খালের ওপর নির্মীয়মাণ সেতুর পশ্চিম পাশের একটি পার্শ্বদেয়াল (উইং ওয়াল) দুই ভাগ হয়ে গেছে।

এ ছাড়া পূর্ব পাশের বাকি দুটি পার্শ্বদেয়ালেও বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে, যা যেকোনো মুহূর্তে ধসে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

​স্থানীয় বাসিন্দা আবুল হোসেন বলেন, ‘সেতুর কাজ শুরু করার পর দীর্ঘদিন ধরে ফেলে রাখা হয়। ঠিকাদার ইচ্ছেমতো কাজ করেছেন। অনিয়ম নিয়ে বারবার অভিযোগ করা হলেও কোনো লাভ হয়নি। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, কাজ চলাকালে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোনো কর্মকর্তা বা তদারকি কর্মকর্তাকে কাজের জায়গায় একবারও আসতে দেখা যায়নি।’

এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে লুকাইয়া ট্রেডার্সের ঠিকাদার রফিকুল ইসলামের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি তা ধরেননি।

বাউফল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি জানার পরপরই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত ও ধসে পড়া অংশ সিডিউল অনুযায়ী পুনর্নির্মাণের নির্দেশ দিয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।’ কাজের অনুকূলে এ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটিকে ৬০ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost