পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ছয়জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) দুপুরের পর উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের শাখারিকাঠী গ্রামে পুলিশের উপস্থিতিতে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শাখারিকাঠী গ্রামের খালেক জোমাদ্দার ও হেমায়েত আকন গংয়ের মধ্যে একটি জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ বৈঠক হলেও কোনো সমাধান হয়নি।
স্থানীয়দের দাবি, বিরোধপূর্ণ জমিটি খালেক জোমাদ্দার গংয়ের দখলে ছিল। কয়েক দিন আগে তাঁরা ওই জমিতে ধানের চারা রোপণ করেন। শুক্রবার সালিশ বৈঠক চলাকালে হেমায়েত আকন গং জমিটি নিজেদের দাবি করে সেখানে রোপণ করা ধানের চারা তুলে ফেলতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
এতে উভয় পক্ষের ছয়জন আহত হন। তাঁদের শরীরের বিভিন্ন স্থান, মাথা ও হাতে আঘাত লাগে। পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আহতদের মধ্যে মোফাজ্জেল হোসেন জোমাদ্দারের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। অন্য আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহত রুনু বেগম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই জমি নিয়ে সমস্যা চলছে। পুলিশের উপস্থিতিতে সালিশ চলছিল। পুলিশ কিছু সময়ের জন্য চোখের আড়ালে গেলে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়।
তবে মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল ইসলাম সংঘর্ষের ঘটনা স্বীকার করলেও পুলিশের উপস্থিতিতে সংঘর্ষের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, সংঘর্ষের পর পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন