মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ১০:৫২ পূর্বাহ্ন
বরিশাল নগরীর সদর রোড এলাকার পুরোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান “মেসার্স হাবিব স্টোর” ঘিরে জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ দেখা দিয়েছে। ক্রয়সূত্রে জমির মালিক দাবি করা ডা. আমিনুল ইসলামের অভিযোগ, বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও একটি পক্ষ তাকে জমির দখল বুঝিয়ে দিচ্ছে না।
ডা. আমিনুল ইসলাম দাবি করেন, তিনি আইনগত প্রক্রিয়ায় উক্ত সম্পত্তি ক্রয় করেছেন এবং আদালতের মাধ্যমেই নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছেন। তার ভাষ্য, জমি সংক্রান্ত বিরোধ বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন থাকায় বিষয়টির সমাধানও আইন অনুযায়ী হওয়া উচিত।
সম্প্রতি বরিশাল বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ সংক্রান্ত একটি আদেশকে কেন্দ্র করে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। এ সময় একটি পক্ষ অভিযোগ তোলে, উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ ও চলমান দেওয়ানি মামলার তথ্য গোপন করে আদেশ নেওয়া হয়েছে। তবে ডা. আমিনুল ইসলাম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি সম্পূর্ণ বৈধ উপায়ে ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ভিত্তিতেই আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন।
তিনি বলেন, “আমাকে পরিকল্পিতভাবে ভূমিদস্যু, প্রতারক ও রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহারকারী হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। বাস্তবে আমি আমার ক্রয়কৃত সম্পত্তির ন্যায্য অধিকার ফিরে পেতে চাই।”
রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে জমি দখলের অভিযোগও প্রত্যাখ্যান করেন ডা. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। বিএনপিতেও বর্তমানে আমার কোনো পদ-পদবি নেই। দল ভবিষ্যতে যোগ্য মনে করলে দায়িত্ব দিতে পারে।”
ডা. আমিনুল ইসলামের অভিযোগ, একটি স্বার্থান্বেষী মহল তার সামাজিক ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং বৈধ মালিকানা থাকা সত্ত্বেও তাকে দখল বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে না।
এদিকে জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। সচেতন মহল বলছে, আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান হওয়া প্রয়োজন।