বুধবার, ০৮ Jul ২০২৬, ১২:৫২ পূর্বাহ্ন

চাঁদাবাজির মামলায় এনসিপির নেতা আরিফ মুনসহ গ্রেপ্তার ৫

চাঁদাবাজির মামলায় এনসিপির নেতা আরিফ মুনসহ গ্রেপ্তার ৫

দিনাজপুরে জমি কেনাবেচার টাকা নিয়ে এক ব্যক্তিকে অপহরণ ও চাঁদা দাবির অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) অঙ্গসংগঠন ‘যুবশক্তি’র কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ মুনসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে শহরের গোর—এ—শহীদ বড় মাঠ এলাকা থেকে অপহৃত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার অন্যরা হলেন—দিনাজপুর শহরের বালুয়াডাঙ্গা এলাকার হাসিন ইসরাক মিম (২২), আজমীর হোসেন ওরফে প্রেম (২২), বিরল উপজেলার সাজিদুল মিনহাজ (২৯) এবং সদর উপজেলার মো. হৃদয় (২২)।

পুলিশ জানায়, গত রোববার (৫ জুলাই) রাতে অপহৃত আব্দুস সামাদের ছেলে মো. মামুন কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগে বলা হয়, ওই রাতে শহরের গোপালগঞ্জ পাঁচমাইল এলাকায় আব্দুস সামাদের দ্বিতীয় স্ত্রীর বাড়িতে ১০—১২ জন ব্যক্তি গিয়ে তাকে মারধর করে জোরপূর্বক একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়।

অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে। পরে সোমবার বিকেলে গোর—এ—শহীদ বড় মাঠ এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপহৃত আব্দুস সামাদকে উদ্ধার করা হয় এবং তিনজনকে আটক করা হয়। তাদের থানায় নেওয়ার সময় এনসিপির কয়েকজন কর্মী ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। পরে আরও দুজনকে আটক করে পুলিশ।

এ ঘটনায় সোমবার রাতে আব্দুস সামাদের ছেলে মো. মামুন বাদী হয়ে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১০—১২ জনের বিরুদ্ধে অপহরণ ও চাঁদাবাজির মামলা করেন।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আব্দুস সামাদ জমি কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত। সম্প্রতি আজমীর হোসেন প্রেমের এক আত্মীয় মজিবর রহমানকে জমির মালিকানা দেওয়ার কথা বলে সাড়ে চার লাখ টাকা নেন। তবে জমি বুঝিয়ে দিতে না পারায় এবং উল্টো মামলা হওয়ায় টাকা ফেরতের চাপ দিতে আব্দুস সামাদকে তুলে নেওয়া হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরনবী জানান, মামলার পর আটক পাঁচজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে মঙ্গলবার সকালে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost