, , ,
শিরোনাম
স্বামীকে ভিডিও কলে রেখে স্ত্রীর আত্মহত্যা কাজিরহাটে এক রাতে দুই বাড়িতে সিঁধ কেটে চুরি দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি শপথ নেবেন সন্ধ্যায় বরিশাল জেনারেল হাসপাতালে অন্তঃসত্ত্বাকে ভুল ওষুধ দেওয়ার অভিযোগ সিজারিয়ান অপারেশনের পর পেটে গজ রেখে সেলাই: প্রসূতির মৃত্যু, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক শোকসন্তপ্ত পরিবার পরিদর্শন জুলাই মাসে জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হলেন মেহেন্দীগঞ্জ থানার মোঃ মমিন উদ্দিন ঝালকাঠিতে ভুয়া পরিচয়ে পাসপোর্টের আবেদন, দুই নারী আটক উজিরপুরে জিও ব্যাগের বদলে পাটের বস্তায় মাটি দিয়ে সড়কের পাইলিং! মেয়েকে যৌন হয়রানির প্রতিবাদ করায় বাবাকে কুপিয়ে জখম মাদকসেবী আটক বাণিজ্যের’ অভিযোগ স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ৫ সদস্য বদলি
খাস জমিতে মহিষ চড়াতে চাঁদা, ছাত্রদল নেতার গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন

খাস জমিতে মহিষ চড়াতে চাঁদা, ছাত্রদল নেতার গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন

Reporter
প্রতিবেদক : অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত : বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬

পটুয়াখালীর বাউফলের চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের লালচরের খাস জমিতে মহিষ চড়ানোর বিনিময়ে ২শ টাকা করে চাঁদা আদায়ের প্রতিবাদে অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা মাঈনউদ্দিনের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে উত্তাল তেঁতুলিয়া নদী পাড়ি দিয়ে কয়েকশ নারী—পুরুষ বাউফল উপজেলা পরিষদের সামনে সড়কে এসে এই কর্মসূচি পালন করেন। পরে তারা শহরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বাউফল পৌর ছাত্রদলের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সিনিয়র সহ—সভাপতি মাঈনউদ্দিন চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চর মিয়াজান এলাকায় বসবাস শুরু করেন। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।
অভিযোগ রয়েছে, ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি লালচরের খাস জমিতে মহিষ চড়ানোর অনুমতি দেওয়ার শর্তে প্রতিটি মহিষের বিপরীতে মাসিক ২০০ টাকা করে চাঁদা নেওয়া শুরু করেন। বর্তমানে ওই চরে প্রায় ৪৭৮টি মহিষ রয়েছে, যার মাধ্যমে প্রতি মাসে প্রায় ৯৫ হাজার ৬০০ টাকা চাঁদা আদায় করা হতো বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্তদের।

​মহিষ পালনকারী রেজাউল খাঁন, ইদ্রিস দালাল, আলমগীর হাওলাদার ও সাইফুল শরীফ জানান, অতীতে এই খাস জমিতে সম্পূর্ণ ফ্রিতে ও বিনা বাধায় মহিষ চড়িয়ে তারা জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রতি মহিষের জন্য নিয়মিত চাঁদা দিতে গিয়ে প্রান্তিক খামারিদের টিকে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। টাকা না দিলে চরে মহিষ রাখতে বাধা দেওয়া ও বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখানো হয় বলে অভিযোগ করেন তারা।

​রাজিয়া বেগম ও রোজিনা আক্তার নামের দুই গৃহবধূ বলেন, ‘চরে কষ্টের জীবন কাটানো এসব দরিদ্র পরিবারের পুরুষেরা মহিষ লালন—পালন করেই সংসার চালান। এখন মহিষ চড়ানোর জন্যও চাঁদা দিতে হলে তাদের না খেয়ে মরার দশা হবে। তারা এই চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট বিচার দাবি করেন।’

উল্লেখ্য, গত ১৩ আগস্ট দেশের অনেক পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টালে এ সংক্রান্ত নিউজ প্রকাশিত হয়েছিল।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost