
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) স্টিমারঘাট (নানিবুড়ি মাজার) পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জসহ ছয় পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহারের পর বিভিন্ন স্থানে বদলি করা হয়েছে।
এর মধ্যে ফাঁড়ির ইনচার্জকে চট্টগ্রাম জেলায় এবং অন্য পাঁচজনকে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের বন্দর থানায় সংযুক্ত করা হয়েছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ জানিয়েছেন, সুনির্দিষ্ট কোনো কারণে নয়, প্রশাসনিক কারণে তাদের প্রত্যাহার করে বদলি করা হয়েছে।
তবে পুলিশের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, গত সোমবার রাত ৩টার দিকে নগরীর চাঁদমারী খেয়াঘাট এলাকা থেকে কিছু পরিমাণ গাঁজাসহ আলিম ও রাকিব নামে দুই যুবককে আটক করেন স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই বোরহানের নেতৃত্বাধীন টহল দলের সদস্যরা।
আটকের পর এএসআই বোরহানের মোবাইল ফোনে চট্টগ্রামে কর্মরত পুলিশের এক কর্মকর্তা ফোন করেন। ওই কর্মকর্তা আটক দুই যুবককে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।পরে গাঁজা রেখে আলিম ও রাকিবকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।
তবে অভিযোগ রয়েছে, আটকের সময় দুই যুবকের কাছে থাকা ১ হাজার ৭০০ টাকা ফাঁড়িতে কর্মরত কনস্টেবল হাবিব রেখে দেন।
বিষয়টি জানাজানি হলে গত বুধবার প্রথমে স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) কাজী শাওনকে প্রত্যাহার করা হয়।
এর এক দিন পর বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) বোরহানসহ আরও পাঁচ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের বন্দর থানায় সংযুক্ত করা হয়। আর উপপরিদর্শক (এসআই) কাজী শাওনকে চট্টগ্রাম জেলায় বদলি করা হয়েছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ বলেন, প্রত্যাহার ও বদলির বিষয়টি সঠিক। তবে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণে নয়, প্রশাসনিক কারণে তাদের প্রত্যাহারের পর বদলি করা হয়েছে।