সোমবার, ২২ Jun ২০২৬, ০৫:১২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
মেহেন্দিগঞ্জে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মসজিদে নামাজরত ছোট ভাইকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, সাগরদী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসায় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পদে জ্যেষ্ঠ শিক্ষক দেলোয়ার হোসেনকে চান শিক্ষক-শিক্ষার্থী- অভিভাবকরা! বাবার লাশ দাফনে সাত সন্তানের আপত্তি পাথরঘাটা থানার বিতর্কিত ওসি ক্লোজ, তদন্ত কমিটি গঠন অশালীন মন্তব্য ও দায়িত্বহীন আচরণের অভিযোগে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির দ্রুত পদক্ষেপ পাতারহাট বন্দরের খাল পুনরুদ্ধারে প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান এমপি বরিশালে আওয়ামী লীগের ১৯ জন নেতাকর্মী গ্রে’ফ’তা’র দফায় দফায় আ.লীগের মিছিল মঠবাড়িয়ায় নানাবাড়িতে বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে দুই সহোদর শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু উত্তর আমানতগঞ্জ সিকদার পাড়া জামে মসজিদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন আলেমকে ‘জঙ্গি’ আখ্যা:সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিয়ে চলছে আলোচনা
বাবার নৃশংসতা ৯ বছরের মেয়েকে করাত দিয়ে কেটে হত্যা

বাবার নৃশংসতা ৯ বছরের মেয়েকে করাত দিয়ে কেটে হত্যা

ভারতের পুনের দৌন্দ তালুকার দেউলগাঁও রাজে গ্রামে ঘটে গেছে এক নৃশংস ও রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড। ক্লাসে সৎ ভাইয়ের প্রথম হওয়ার মার্কশিটে কারসাজি করার অভিযোগে নিজের ৯ বছর বয়সী কন্যাসন্তানকে ইলেকট্রিক করাত (চেইনসো) দিয়ে হত্যা করেছেন বাবা।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত বাবার নাম শান্তারাম দুর্যোধন চভান। এই হত্যাকাণ্ডে সহযোগিতা এবং তথ্য গোপনের অভিযোগে শান্তারামের স্ত্রী চিঙ্কি ভোঁসলেকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশি তদন্তে জানা গেছে, ঘটনার মূলে ছিল স্কুলের পরীক্ষার ফলাফল। পরীক্ষায় মেয়েটি ক্লাসে দ্বিতীয় হয়েছিল এবং তার সৎ ভাই হয়েছিল প্রথম। ভাইয়ের এই সাফল্য মেনে নিতে না পেরে মেয়েটি তার ভাইয়ের মার্কশিটে কাটছাঁট করে।

এই বিষয়টি জানতে পেরে ক্ষোভে ফেটে পড়েন শান্তারাম। রাগের মাথায় তিনি ইলেক্ট্রিক করাত নিয়ে নিজের মেয়ের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। করাতের আঘাতে শিশুটি ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায়।

হত্যাকাণ্ডের পর অপরাধ ধামাচাপা দিতে শান্তারাম ও তার স্ত্রী চিঙ্কি মিলে বীভৎস এক পরিকল্পনা করেন। তারা শিশুটির মরদেহ কাপড়ে জড়িয়ে আগুন ধরিয়ে দেন, যাতে পুরো ঘটনাটিকে একটি দুর্ঘটনা হিসেবে চালিয়ে দেওয়া যায়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিশুটির আংশিক পোড়া মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ পরীক্ষার জন্য মরদেহটি পুনের স্যাসুন জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, শান্তারাম ও চিঙ্কি দুজনেই এখন কারাগারে। এই নৃশংস ঘটনার পেছনে আরও কোনও কারণ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুনে পুলিশ।

সূত্র: এনডিটিভি

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost