শুক্রবার, ১৯ Jun ২০২৬, ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
ঢাকা থেকে যুবলীগ নেতা আটক ৩০ মামলার আসামি কালা মাসুদ গ্রেপ্তার নারী বাদিকে দেখেই ওসির মন্তব্যে ‘আপনি সেই মাল’ কাজিরহাটে মাদকের রমরমা কারবার, ধ্বংসের মুখে যুবসমাজ: নেপথ্যে প্রভাবশালী ও পুলিশের ‘তথ্য ফাঁস’ অবৈধভাবে মাছ শিকার ভাণ্ডারিয়ায় দুই জেলেকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা উজিরপুরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঝখানে অটো রাইস মিল, পরিবেশ দূষণে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী নলছিটিতে পানিতে ডুবে দুই বছরের শিশুর মৃত্যু পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ: কলেজে পদ নেই, তবু তিনি ‘উপাধ্যক্ষ’ ঝালকাঠিতে বাসচাপায় স্কুলছাত্র নিহত পিরোজপুরে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত শিক্ষক, তদন্ত কমিটি গঠন
টিকিকাটা ইউপি প্রশাসক ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ মিথ্যা: ইউপি সদস্যদের দাবি

টিকিকাটা ইউপি প্রশাসক ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ মিথ্যা: ইউপি সদস্যদের দাবি

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলা টিকিকাটা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক নজরুল ইসলাম এবং ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা আশুতোষ হালদারের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো অভিযোগগুলোকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করেছেন ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত সদস্যরা। গতকাল বুধবার রাত ৮টায় টিকিকাটা ইউনিয়নের নির্বাচিত ইউপি সদস্যদের আয়োজনে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে এই প্রতিবাদ জানানো হয়।

​সংবাদ সম্মেলনে ইউপি সদস্য জসীম মাতুব্বর জানান, ইউনিয়ন পরিষদের সমস্ত উন্নয়নমূলক প্রকল্প সম্পূর্ণ নিয়ম মেনে পরিষদের রেজুলেশনের মাধ্যমে বণ্টন করা হয়। এখানে এককভাবে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই। পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দরিদ্রদের মাঝে ভিজিএফের চাল ও মৎস্য খাতের চাল বিতরণের বিষয়টি উল্লেখ করে তারা বলেন, পিরোজপুর—০৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি, মৎস্য দপ্তরের কর্মকর্তা এবং সকল ইউপি সদস্যদের উপস্থিতিতে সভা করে এই চাল সঠিক নিয়মে বিতরণ করা হয়েছে।

​ইউনিয়ন পরিষদের খাদ্য গুদামে চাল মজুত রাখার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গুদামে অতি সামান্য পরিমাণ চাল অবশিষ্ট ছিল। দূরবর্তী এলাকা থেকে যেসকল মৎস্যজীবী ও কার্ডধারী উপকারভোগী সময়মতো আসতে পারেননি, এটি মূলত তাদেরই চাল ছিল। পরবর্তীতে সেই চালও প্রকৃত কার্ডধারীদের মাঝে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখানে কোনো ধরনের অনিয়ম বা আত্মসাতের ঘটনা ঘটেনি।

​সংবাদ সম্মেলনে ৫নং ওয়ার্ডের সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান মো. আসাদুন নবী রাজীবের আনা অভিযোগগুলোকে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করা হয়। ইউপি সদস্যরা অভিযোগ করেন, আসাদুন নবী রাজীব অন্যান্য সদস্যদের তুলনায় তিনি অনেক বেশি সুযোগ—সুবিধা ভোগ করা সত্ত্বেও, অনৈতিক সুবিধা না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রশাসক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই অপপ্রচার চালাচ্ছেন।

​রাজীবের ‘কোনো কাজ না পাওয়ার’ অভিযোগকে নাকচ করে সংবাদ সম্মেলনে তথ্য দেওয়া হয় যে, প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে ১২ জন ইউপি সদস্যের মধ্যে তিনিই সবচেয়ে বেশি কাজ ও সুবিধা পেয়েছেন। তিনি ব্যক্তিগতভাবে ১২ লক্ষ ৩০ হাজার টাকার উন্নয়ন প্রকল্প এবং ১৩.৯ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ নিয়েছেন।

​ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করতে না পেরে এবং ইউনিয়ন পরিষদের সুনাম ক্ষুণ্ণ করতেই এই ধরণের মিথ্যা অভিযোগ তোলা হয়েছে দাবি করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান উপস্থিত ইউপি সদস্যরা।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost