শনিবার, ১১ Jul ২০২৬, ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন

নাঈমকে মারধরের মামলায় পুলিশের সোর্স সোহেল আটক, তদন্ত কমিটি

নাঈমকে মারধরের মামলায় পুলিশের সোর্স সোহেল আটক, তদন্ত কমিটি

 

ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে মারধরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় পুলিশের সোর্স মো. সোহেলকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে এ তথ্য জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের কমিশনার হাসান মোহাম্মদ শওকত আলী। তিনি জানান, ক্রিকেটার নাঈম হাসানের ঘটনার সঙ্গে জড়িত সোহেলকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া ঘটনায় পুলিশের উপকমিশনারকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে ৫ কর্মদিবসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।সিএমপি কমিশনার মোহাম্মদ শওকত আলী আরও বলেন, এই ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্যকে সাময়িক সাসপেন্ড করে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হচ্ছে। আমরা এ ঘটনা সিরিয়াসলি আমলে নিয়েছি। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

শুক্রবার রাতে নাঈমকে সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে নামিয়ে তল্লাশির পাশাপাশি গলা টিপে ধরে পুলিশ। এ ছাড়া তাকে পুলিশের হাতে থাকা পাইপ দিয়ে আঘাত করা হয়। সোহেলও নাঈমকে মারধর করেন। পরে সোহেল নিজেকে ডিবি পরিচয় দেন।

তখন সেখানে জড়ো হওয়া লোকজন তার কাছে পরিচয়পত্র চাইলে তিনি দেখাতে পারেননি। পরে লোকজন তাকে খুলশী থানায় ধরে নিয়ে যায়। তার বাসা গরিবুল্লাহ শাহ মাজার এলাকায়। পুলিশের সোর্স হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন কাজ করছেন বলে জানান স্থানীয়রা।

এই ঘটনায় নাঈমের বড় ভাই সাব্বির হাসান খুলশী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাতে সোহেলকে তিন নম্বর আসামি দেখানো হয়। অপর দুজন হলেন এসআই শফিক ও কনস্টেবল রাসেল। দুজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

সাব্বির আরও জানান, খবর পেয়ে গভীর রাতে যখন বাবা থানায় যায়, তখন বাবাকে থানার বাইরে ১৫ মিনিট দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। ঢুকতে দেওয়া হয়নি। স্থানীয়দের প্রতিবাদের মুখে বাবা যখন ভেতরে ঢুকেন তখন দেখা যায়, সোহেল ওসির পাশে বসে এসির বাতাস খাচ্ছেন।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost