
বরিশালের বাকেরগঞ্জে বোমা বিস্ফোরণে নারী—শিশুসহ গুরুতর দগ্ধ তিনজনের চিকিৎসার দ্বায়িত্ব নিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা বার্ন ইন্সটিটিউটে প্রেরন করা হয়েছে। আজ সোমবার সন্ধ্যায় বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারসহ জেলা প্রশাসনের সহায়তায় সরকারী এন্মুলেন্স যোগে গুরুতর দগ্ধ হনুফা বেগম, মেয়ে ইতি ও নাতি ৫ম শ্রেনীর শিক্ষার্থী ফাহিমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরন করা হয়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, সোমবার সকাল ৬ টায় উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের দুধলমৌ গ্রামের শাহ আলম হাওলাদারের বাড়িতে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই শাহ আলমের স্ত্রী হনুফা বেগম, কন্যা ইতি ও পঞ্চম শ্রেনীতে পড়ুয়া নাতি ফাহিম অগ্নিদগ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করে গুরুতর অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে তাদের শারিরিক অবস্থার অবনদিত হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এদিকে মোবা বিস্ফোরনের খবর পেয়ে বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার এ.জেড.এম মোস্তাফিজুর রহমানসহ বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এসময় তারা স্থানীয় বাসিন্দাদের আতংকিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দেন।
এদিকে বোমা বিস্ফরনে দগ্ধদের দেখতে বিকেল ৬ টার দিকে বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহম্মেদ, রেঞ্জ ডিআইজি মো : মোস্তাফিজুর রহমান, বরিশাল জেলা প্রশাসক মো : মামুন খন্দকারসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ছুটে যান এবং দগ্ধদের শারিরিক খোজ খবর নেন। এসময় হাসপাতালের পরিচালকসহ কর্তব্যরত চিকিৎসকরা আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা প্রেরনের সুপারিশ করেন।
পরে বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহম্মেদ তাৎক্ষনিক ৩০ হাজার টাকা দিয়ে আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা বার্ন ইন্সটিটিউটে প্রেরন করেন। এসময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, বোমা বিস্ফোরনের বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করে ব্যাবস্থা নিবে। পাশাপাশি আহতদেরিউন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল থেকে বিনা খরচে ঢাকায় পাঠানোর ব্যাবস্থা করেছেন।
এছাড়া বোমা বিস্ফোরনে দগ্ধদের চিকিৎসার ভাব বিভাগীয় প্রশাসন ও জেলা প্রশাসন বহন করবে। তিনি বলেন, আহতদের শারিরিক বিষয়ে বরিশালের দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত মন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপন স্যার একাধিকবার ফোন করে খোজ খবর নিয়েছেন। তিনিও সার্বিক সহযোগীতা করছেন।