শনিবার, ১৮ Jul ২০২৬, ০৫:২৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম
কাউখালীতে শ্রমিক দলের উদ্যোগে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলার ওপর গুরুত্বারোপ থানার ব্যারাক থেকে পুলিশ কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার দৌলতখানে মাদকবিরোধী অভিযানে ৬ জন গ্রেপ্তার প্রাথমিকে বদলি কমিটিতে ‘গণ্যমান্য ব্যক্তি’ বাদ, যুক্ত হলো সাত শর্ত সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের চা-দোকানে আড্ডা ও ঘোরাঘুরি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ যেকোনো সময় ইসরায়েলে হামলা, হিজবুল্লাহকে প্রস্তুত থাকতে বললো ইরান কারাগার থেকে পালাল নারী বন্দি, বরখাস্ত ৭ রাজধানীতে যানবাহনের হর্ন নিয়ন্ত্রণে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর এসএসসি পরীক্ষার ফল ২০ জুলাই প্রকাশিত হচ্ছে না আদালতের জিম্মায় ফিরে পেয়েও রক্ষা হলো না কিশোরী, পথে হামলা করে অপহরণের অভিযোগ; সংবাদ সম্মেলনে মায়ের আকুতি
কাউখালীতে বেকুটিয়া সেতুর নিচে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ/ প্রশাসনের অভিযান

কাউখালীতে বেকুটিয়া সেতুর নিচে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ/ প্রশাসনের অভিযান

পিরোজপুরের কাউখালীতে অষ্টম চীন মৈত্রী বেকুটিয়া সেতুর নিচে সরকারি জায়গা ও নদী দখল করে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন। বুধবার (১ জুলাই) সকাল ১১টায় কাউখালী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জানা গেছে, কাউখালী প্রান্তে অবস্থিত বেকুটিয়া সেতুর নিচে পর্যটন এলাকার সরকারি জায়গা ও নদীর অংশ দখল করে কিছু ব্যক্তি কংক্রিটের ঢালাই এবং লোহার অ্যাঙ্গেল ব্যবহার করে রেস্টুরেন্ট ও খাবারের দোকান নির্মাণ করার চেষ্টা করে। এতে এলাকার পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে দখলদারদের পূর্বে নোটিশ প্রদান করা হয় এবং স্বেচ্ছায় স্থাপনা অপসারণের জন্য সময় দেওয়া হয়।

কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা অপসারণ না করায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে অবৈধভাবে স্থাপনা অপসারণ করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা অষ্টম চীন মৈত্রী বেকুটিয়া সেতু বর্তমানে একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এ সুযোগে একটি কুচক্রী মহল সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অপচেষ্টা চালিয়ে আসছিল।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, “অষ্টম চীন মৈত্রী বেকুটিয়া সেতু এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। এই এলাকার সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসন সর্বদা সচেষ্ট। সরকারি জায়গা কিংবা নদী দখল করে কোনো ধরনের অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করতে দেওয়া হবে না। যারা অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পর্যটন এলাকার পরিবেশ ও সৌন্দর্য রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে পর্যটন এলাকার পরিবেশ ও সৌন্দর্য রক্ষায় নিয়মিত নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost