
বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপিতে দলের গঠনতন্ত্র পরিপন্থী কার্যকলাপ পরিচালনা করছে এককালের আওয়ামী লীগ সমর্থিত, ৫ ই আগস্ট পরবর্তী দলের ট্যাগ লাগানো কিছু সুবিধা ভুগী।
কেন্দ্র থেকে অনুমোদিত পূর্ণাঙ্গ আহবায়ক কমিটির সাংগঠনিক সু—শৃঙ্খলতা বিনষ্ট করতে মবসৃষ্টির মত না না কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে এই গুষ্টিটি। ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে একের পর এক সরকারদলীয় প্রোগ্রামে অংশগ্রহণকারী সালাম রাঢ়ী, জিয়াউল হক সাবু, রেজা রাঢ়ী,মন্টু খান গংরা সদর উপজেলা বিএনপির নেতা দাবি করে অরাজকতা সৃষ্টি করছে।
এই সমস্ত দোসোরেরা সরকারি সুযোগ—সুবিধা নিতে আওয়ামী লীগের তৎকালীন সময় মিছিল মিটিং সহ তাদের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেয়।
যা সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে। তাদের মুখোশ উম্মোচন হলেও লজ্জা শরম পাস কাটিয়ে নাকে ক্ষত দিয়ে বেহায়াপানার মত গুটি কয়েক এই বিতর্কিতরা কর্মসূচির নামে চোর পুলিশ খেলা খেলছে।যা মানুষের মাঝে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে। কেন্দ্রের অনুমোদিত কমিটিকে কিভাবে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখানোর অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা গুঞ্জন চলছে।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে কেন্দ্রের নির্দেশনার বাহিরে গিয়ে দলীয় কর্মসূচি করা, এটা কেন্দ্রের নির্দেশকে অমান্য করে অপমান অপদস্থ করা হচ্ছে। কেননা যে সমস্ত ত্যাগী কর্মীবান্ধব নেতৃত্ব দিয়ে পূর্ণাঙ্গ আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে তা যথা সময়ে যথাযথ কমিটি হয়েছে।
এ বিষয়ে সদর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব নুরুল আমিন এর কাছে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন বৃহৎ দলে গুটিকয়েক লোক আমাদের বিরোধিতা করে আসছে এ নিয়ে আমরা চিন্তিত নই । আসলে তারা আমাদের বিরোধিতা নয় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। দলের সুশৃংখলতা নষ্ট করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। আশা রাখি আওয়ামী লীগ ঘরানার যারা দলের সুনাম নষ্ট করতে চায় দলের হাই কমান্ড তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন।
সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম আব্বাস বলেন,বিএনপি সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের দোসররা মাঠে নেমেছে। এরা আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কে কোথায় কিভাবে অবস্থান নিয়েছে সব ডকুমেন্ট আমাদের কাছে আছে। এ বিষয়ে আমরা যথাযথ স্থানে আলোচনা করব।প্রয়োজনে অপশক্তির হাতকে শক্ত হাতে দমন করা হবে।