শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩১ অপরাহ্ন
বরিশাল নগরীর হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজীর শিক্ষক মোঃ মহিউদ্দিন। একজন প্রতিবাদী শিক্ষক।অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে ভুগতে ছিলেন নিরাপত্তাহীনতায়।সব সময় আতংকের মাঝে বসবাস করতেন।তাকে স্কুলে ও স্কুলের বাইরে স্কুলটির কয়েকজন শিক্ষক ,শিক্ষিকা ও সন্ত্রাসীরা প্রান নাশের হুমকি দিয়েছে।স্কুলটিতে সকল অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে হেনস্থা হয়েছেন অসংখ্যবার। হেনস্থা ও হুমকির কারনে মোঃ মহিউদ্দিন উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হয়।মহিউদ্দিনকে হত্যা করা হতে পারে এমনটি মনে করেন তার পরিবার। তাই পরিবারের পক্ষ থেকে দায়ের করা হবে হত্যা মামলা ।
বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) রাতে নগরীর করিম কুটির এলাকার মসজিদ গলির ‘স্মরণিকা ভিলা’র নিচ তলার একটি কক্ষ থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত মো. মহিউদ্দিন উজিরপুর উপজেলার হরিদ্রাপুর গ্রামের মৃত আব্দুল আজিজ মাঝির ছেলে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে,বরিশাল নগরীর হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজীর শিক্ষক মোঃ মহিউদ্দিন ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর স্কুলটির তৎকালীন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বরিশালের জেলা প্রশাসকের নিকট প্রান নাশের হুমকি বিষয়ে লিখিত আকারে জানান।
লিখিত অভিযোগে জানান,আমি সিনিয়র শিক্ষক মোঃ মহিউদ্দিন(ইংরেজী),হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়,বরিশাল।আমাকে বিভিন্ন সময়ে বাইরের লোকজন দিয়ে নানা ভয়ভীতি ও প্রান নাশের হুমকি প্রদান করেন প্রধান শিক্ষক এ এস এম ফখরুজ্জামান ও সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা।ইদানিং শিক্ষক মাইদুল ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা,বানোয়াট ,ভিত্তিহীন,কাল্পনিক,যোগসাযোসি যৌন হয়রানীর অভিযোগ এনে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করে চাকরিচ্যুত করা হয়।আমি সম্মানিত শিক্ষক মাইদুলের পক্ষে স্বাক্ষী দিতে গেলে আমাকে হত্যা করা হবে বলে প্রধান শিক্ষক এর বাইরের কয়েকজন লোক আমার প্রান নাশের হুমকি দিচ্ছে।আমি একজন শিক্ষক হিসেবে এহেন অন্যায় নিজ চোখে দেখে বিবেকের তারনায় প্রশ্রয় দিতে পারিনা। তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য জেলা প্রশাসককে অনুরোধ করেন।
এছাড়া শিক্ষক মহিউদ্দিন ২০২৪ সালের ৯ মে হালিমা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সনদ বিহীন,জাল সনদে চাকুরীরত শিক্ষক,শিক্ষিকাদের তদন্ত ও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য লিখিত আবেদন করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের বরিশাল অঞ্চলের উপ—পরিচালকের নিকট।
Leave a Reply